নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষস্থানীয় একজন নেতা বলেন, ‘ঐক্য ভেঙে যাক সেটি আমরা চাই না। তবে আসন সমঝোতা হতে হবে ইনসাফের ভিত্তিতে।জানতে চাইলে ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন বলেন, ‘আসন সমঝোতার বিষয়ে কিছুটা অসন্তোষ আছে। এ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলমান আছে। ১৯ জানুয়ারির মধ্যেই তা চূড়ান্ত হবে। এরপর পরবর্তী অবস্থান জানা যাবে। স্থগিত থাকা আমাদের সংবাদ সম্মেলন কখন হবে তা আমরা জানিয়ে দেব।এনসিপির পক্ষ থেকে ৪৪ জনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হলেও তা এখনো চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ভুলত্রুটি ও সম্ভাব্য জটিলতা বিবেচনায় রেখে বাড়তি কিছু মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এনসিপির মোট প্রার্থীর সংখ্যা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হবে।এবি পার্টির পক্ষ থেকে ৫৩টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে আমাদের তিনটি আসনের কথা জানানো হয়েছে। বাকি আসনগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা চলমান রেখেছি। আলাপ-আলোচনার পর কতটি আসনে সমঝোতা হবে, তা চূড়ান্ত হবে। চূড়ান্ত হওয়ার পর আমরা জানাব জোটে থাকব কি থাকব না।জোটের আসন সমঝোতার বিষয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আগেই সবকিছু চূড়ান্ত হবে। আসন সমঝোতা নিয়ে বড় কোনো সংকট আমরা দেখছি না। জোট ভাঙার বিষয়েও কোনো তথ্য নেই। শঙ্কার চেয়ে প্রোপাগান্ডা বেশি। কিছু সংকট থাকলে সেটি আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে নেব।
এর আগে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আসন সমঝোতা নিয়ে বড় কোনো সংকট নেই। কেউ জোট ভাঙতে চায় না। আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান আসবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বড় জোট গঠনের ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে এ ধরনের আসনকেন্দ্রিক বিরোধ স্বাভাবিক। তবে অস্বস্তি দ্রুত নিরসন না হলে ভোটের মাঠে তার প্রভাব পড়তে পারে।






