
নিজস্ব প্রতিবেদক::আলেম-ওলামাদের হত্যা করা উচিৎ ছিল, তাহলে আজ এমন দৃশ্য দেখতে হতো না’ সম্প্রতি বরিশালে আলেমদের উদ্দেশ্য করে এমন মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ। পরিষদের কেন্দ্রী সহ-সহভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডাঃ আলতাফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ১ ডিসেম্বর বরিশাল শহরে অবস্থিত ‘‘মুসলিম ইনস্টিটিউট মসজিদ কমপ্লেক্স’’ এ মাগরিবের নামাজ আদায়কালীন নামাজে ইমামতীরত দেশবরেন্য আলেমে দ্বীন বরিশাল মাহামুদিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহাবুবকে উদ্দেশ্য করে মোহামেডান ক্লাবের পক্ষে মুক্তিযোদ্ধা নামধারী কতিপয় ব্যক্তি এমন মন্তব্য করে যে, ‘‘এগুলোকে ৭১ এ হত্যা না করে ভুল করেছি, তখন হত্যা করলে এসব জঞ্জাল আর মোকাবেলা করতে হতো না’’। এহেন মন্তব্য ও আচরণ অত্যন্ত দু:খজনক ও অনভিপ্রেত।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ তো হয়েছিল পাকিস্তানীদের জুলুম, বৈষম্য দূরীকরনের জন্য, ইসলামী কৃষ্টি-কালচারকে উৎপাটিত বা সাধারণ জনগনকে হত্যা করার জন্য নয়। হাসিনার ফ্যাসিস্ট আমলে মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিজের গদি রক্ষার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারের জন্য মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ইসলামের মুখোমুখি দাঁড় করানোর অবিরত চেষ্টা করা হয়েছিল। জুলাই বিপ্লবের পরও যদি সে ধারা অব্যাহত থাকে তবে তা হবে অত্যন্ত দু:খজনক। মসজিদ, মন্দির, গীর্জা বা অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের কোন বিতর্কিত ভূমিকা থাকার কথা নয়। তবু কথিত মুক্তিযোদ্ধাদের দ্বারা মসজিদ নির্মান ও নামাজ আদায়ে বাধা প্রদান অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক বিষয়। মুক্তিযোদ্ধারা কোন ব্যক্তি বা পক্ষের লাঠিয়াল হিসেবে নিয়োজিত হওয়া নীতিবহির্ভূত। এমন আচরনের কঠোর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।