তারা আরও অভিযোগ করেন, বজলুর রহমান ও ফারুক আখনের পেছনে একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর আশীর্বাদ রয়েছে, যার ফলে তারা বারবার দখলচেষ্টা করেও পার পেয়ে যাচ্ছেন।
ভূমিহীন কৃষক মো. আবু তাহের বলেন, ‘আমি অন্যের বাড়িতে আশ্রিত ছিলাম। পরে সরকার থেকে বন্দোবস্ত পাওয়া জমিতে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছি। ১৯৯৯ সালে আমার ও স্ত্রীর নামে দেড় একর জমি বন্দোবস্ত পাই। সেই থেকে প্রায় ২৬ বছর ধরে ভোগদখলে আছি। ২০১৫ সালে লালমোহনের বজলুর রহমান নামের এক ভূমিদস্যু কৃষক সমিতির নাম ব্যবহার করে আমাদের জমি দখলের চেষ্টা চালান। তখন বাধা দিলে তিনি ব্যর্থ হন। তবে বর্তমানে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন তারা। গত শনিবার জমিতে আমনের চারা রোপণ করতে গেলে বাধা দেয় ওই চক্র।’
ভূমিহীন কৃষক আবু বকর জানান, ‘বজলুর রহমান ও ফারুক আখনের নেতৃত্বে একটি চক্র আমাদের জমি দখলের পাঁয়তারা করছে। তারা ভুয়া খতিয়ান দেখিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। চলতি আমন মৌসুমে জমিতে চাষ করতে গেলে তারা আবার বাধা দেয়।’
অভিযুক্ত বজলুর রহমান দাবি করেন, ‘১৯৮১ সালে কৃষি খামার সমিতির ২৭০৫ জন কৃষকের নামে ওই জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ভোগদখলে যেতে পারেননি।’
দক্ষিণ আইচা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এরশাদুল হক ভূঁইয়া জানান, ‘জমিগুলো নিয়ে দুই পক্ষই দাবি করছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে আদালতে মামলা থাকায় এখনো চূড়ান্তভাবে সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়নি।