মোঃ রাসেল হাওলাদার::বরিশাল সদর উপজেলা ৯নং টুংঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়নের পতাং উচ্চ বিদ্যালয় পুরাতন দ্বিতল বিজ্ঞান ভবনটি বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনের ছাদের কিছু অংশ দেবে গিয়ে উপরতলায় অফিস কক্ষের জানালার গ্রিল বেঁকে গেছে। জানালা কিংবা দরজা খোলার সময় সামান্য কাঁপনেই ছাদ থেকে খসে পড়ছে প্লাস্টার। এতে করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাসরুমে পাঠদান করতে হচ্ছে।১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে তৎকালীন সময় দুই তলা বিজ্ঞান ভবনটি নির্মাণ করে। তবে ভবনটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া ভবনের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দেয়। অভিযোগ রয়েছে, ভবন নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহৃত হয়েছিল, যার ফলে এটি বর্তমানে প্রায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।বিদ্যালয় পরিদর্শনে দেখা গেছে, ভবনের পিলার ও ছাদে বড় বড় ফাটল, শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে, ছাদের খোঁয়া খসে পড়ছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর।কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, বৃষ্টি হলেই শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে এবং মাঝে মাঝে ছাদের অংশ গায়ে পড়ে যায়।দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী লামিয়া ইসলাম বলে, "আমরা সবসময় ভয় পাই, কখন জানি ভবন ভেঙে পড়ে।"শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কিছুদিন আগে ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২ লাখ টাকা ব্যয়ে ভবনের কিছু অংশ মেরামত করা হয়েছিল। তবে তা তেমন কার্যকর হয়নি। পিলার ও দেয়ালের ফাটল আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, শিশুদের এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠানো নিয়ে তারা প্রতিনিয়ত উদ্বেগে থাকেন। তাঁদের প্রশ্ন, শুধু রংচং করে কি ভবনের প্রকৃত দুরবস্থা আড়াল করা সম্ভব?বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শামসুল হক বলেন, “ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি আমরা উপজেলা শিক্ষা অফিসে লিখিতভাবে জানিয়েছে অনেক আগে। তাই আমরাও নতুন ভবনের জন্য আবেদন করার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার দীপিকা সরকার বলেন, “বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আবেদন অনেক আগে নাকি করা হয়েছিল, নতুন করে যদি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবেদন করে তাহলে । বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর হবে