মোঃ রাসেল হাওলাদার::বরিশাল সদর উপজেলা ৯নং টুংঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত ভিডব্লিউবি (৩০ কার্ড) কর্মসূচির আওতায় ২০২৫ - ২০২৬ইং চক্রে নির্বাচিত উপকারভোগীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
আয়োজনে ৯নং টুংঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ আজ (১৬ অক্টোবর) রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার সময় অনুষ্ঠিত হয় ।উক্ত মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির উপকারভোগীদের সাথে উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উউপস্থিত ছিলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ, প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি শুরুতেই ইউপি চেয়ারম্যান জনাবা নাদিরা রহমানকে ধন্যবাদ জানাই এত সুন্দর একটি সুশৃংখল পরিবেশে আয়োজন করার জন্য এর পাশাপাশি উপকারভোগীদের সকল সদস্য উপস্থিত থাকায় তাদেরকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং ঠিকমত চাউল পেয়েছে কিনা কম দিয়েছে কিনা, কেউ কোন টাকা পয়সা নিয়েছে কিনা সেই বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন। উত্তরে এক উপকারভোগী মোসাম্মৎ লামিয়া আক্তার জানান আমাদের এই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নাদিরা রহমান এবং মমতাময়ী মা তিনি আমাদের কাছ থেকে কোন টাকা পয়সা নেননি চাউল কম দেননি এবং যে পাওয়ার যোগ্য তাকেই দিয়েছেন তার মাধ্যমে আমরা যোগ্য ব্যক্তিরা ৩০ কার্ড পেয়েছি। যদি কোন ত্রুটি থেকেও থাকে সেটা ইউপি সদস্যদের ভুলের কারণে হতে পারে এতে চেয়ারম্যানের কোন হাত নেই। এবং আমাদের এই ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি যেকোনো সহায়তা আসুক না কেন, সেটা তিনি যাচাই-বাছাই করে যোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে থাকেন। তার মত সৎ যোগ্য মমতাময়ী নারী চেয়ারম্যান এই ইউনিয়নে আর আসবেনা। আমরা সবাই অন্তরের অন্তস্থল থেকে তাকে ভালোবাসি তিনি আমাদের মমতাময়ী মা।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইকবাল হাসান ও মেহেরুন নাহার মুন্নি উপপরিচালক, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, বরিশাল জাহানারা পারভীন প্রোগ্রাম অফিসার মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর,বরিশাল। এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাবা নাদিরা রহমান, তার বক্তব্যে তিনি শুরুতেই ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সচিব মহোদয় ও তারসহযোগী যারা এসেছেন এই ইউনিয়ন পরিষদে তাদের সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায়। এবং উপকারভোগী যারা এসেছেন সকল সদস্যদের কে, একটি কুচক্র মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে আমি কখনো অন্যায় করিনি কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেইনি।যদি কেউ কোনো প্রমাণ দিতে পারে আমি কোন অন্যায় করেছি তাহলে আমার ইউনিয়নবাসী যেই সাজা দিবে আমি মাথা পেতে নিবো। আমি সব সময় জনগণকে ভালোবেসেছি ভালোবাসবো জনগণকে ভালোবেসে যাবো, এবং সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করব। আমি জনগণের ভালোবাসা নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই, আমার এই ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি ৩০ কার্ড, রেশন কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, এবং ইত্যাদি যা কিছুই আসুক না কেন। আমি সব সময় যাচাই-বাছাই করে দেয়ার চেষ্টা করি, যদিও কখনো ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে ইউপি সদস্যদের কারণে হতে পারে। তারপরেও মানুষ বলতে ভুল আছে যদি কেউ কোন কিছু পাওয়ার যোগ্য হয়ে থাকেন, কিন্তু তারপরেও আপনি পাননি তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন আমি যতটা সম্ভব আপনি যেটা পেতে পারেন আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। কিন্তু যদি ইউপি সদস্যর ভুলের কারণে আপনারা না পেয়ে থাকেন তাহলে সেটার দায়িত্ব আমি নিব না তারপরেও আমি চেষ্টা করব, আমি এই ইউনিয়নবাসীর পাশে ছিলাম আছি থাকবো ইনশাআল্লাহ।সচিব মনিরুল ইসলাম সোহেলসহ আরো উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সকল ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশের সকল সদস্যবৃন্দরা