৯টি অঞ্চলের এমপিও নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ গোয়েন্দা সংস্থা হাতে রয়েছে । মাউশির প্রধান কার্যালয় শিক্ষা ভবনে তার নিজস্ব দালাল চক্র রয়েছে এবং বদলি বাণিজ্য অর্থ লেনদেন করে থাকেন এই চক্রের সদস্যদের মাধ্যমে আর মাউশির দরবেশ বাবা হুমায়ুনের জন্য একটি অংশ রেখে দেন এই চক্রের প্রতিটি সদস্যরা । দরবেশ বাবা হুমায়ুনের অংশ না পেলেই বাদে বিপত্তি তার সহযোগীরা শিক্ষক, কর্মচারিদের বিভিন্ন সময় প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে পরবর্তীকালে দরবেশ বাবার হাদিয়া দিয়ে রক্ষা পান অনেক ভূক্তভোগী পরিবার। অথচ অদৃশ্য শক্তির বলে বহাল তবিয়তে রয়েছেন এ কর্মকর্তা। ছাত্র জনতার আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ,শ্রমিক লীগকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ! থাকা সত্ত্বেও রয়েছে বহাল তবিয়তে।
সুত্রে জানাযায়, ১ নং আমিন বাগ,বাশের পুল,ডেমরা,ঢাকা। জমি ক্রয় করে তিন তলা ভবন নির্মাণ করেছেন। ভবনে নাম এইচ তাসলিমা হোম।ছয় ইউনিট ভাড়া দেন হুমায়ুন ।
দুই সন্তান প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখা করে। আত্মীয় স্বজনের নামে জমি ক্রয় করার পরে পরবর্তীকালে নিজের নিয়ে নেন। হুমায়ুন ওরফে দরবেশ বাবা মাউশির ১৫ গ্রেডের চাকুরী করেন বতর্মানেই ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা বেতন পান। বাবা ছিলেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। বাবা রেখে যায়নি তেমন উল্লেখযোগ্য কোন জমা জমি। চাকুরীর সুবাদে তিনি এখন কোটিপতি ।
সুত্রে আরো জানাযায়,প্রজেক্টে চাকুরী করে পরে রাজস্ব খাতে নিয়ে চাকুরী স্থায়ী হয় আওয়ামী লীগের তদবিরে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বলেন, আমরা অনেক দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছি। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠনে চাকুরী দেয়া, নিয়োগ, বদলি সহ এসব বিষয়ে মাউশির কার্যক্রম খতিয়ে দেখছি।