ওই মামলায় মোস্তফা হানিফকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয় এবং তিনি ৩ মাস ১৭ দিন কারাভোগ করেন। তবে তদন্ত শেষে পুলিশ ২০২৩ সালের ২৮ জানুয়ারি আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করে, ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে আদালত কাওসারের দায়ের করা মামলাটি খারিজ করে দেন।
এরপর মো. মোস্তফা হানিফ নিজেই বাদী হয়ে একই ট্রাইব্যুনালে কাওসারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে মামলা করেন।
বাদী মোস্তফা হানিফ বলেন, আমি তিনটি বিবাহযোগ্য মেয়েকে নিয়ে রাজাপুরে শ্বশুরবাড়িতে থাকি। মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার জন্য বেতাগীতে বাড়ি নির্মাণ শুরু করলে ভাতিজা কাওসার শত্রুতাবশত আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে। এতে আমি তিন মাসেরও বেশি সময় জেলে কাটিয়েছি। শেষ পর্যন্ত আদালতে আমার নির্দোষ প্রমাণ হয়।
রায় ঘোষণার সময় আদালত বলেন, আসামি কাওসার তার বোনের ছোট মেয়েকে দিয়ে চাচার বিরুদ্ধে জঘন্য এক মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করেছে। এতে ভুক্তভোগীর অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। সমাজে এমন মিথ্যা মামলা যেন আর কেউ না করে, এই রায়ের মাধ্যমে সেটিই বার্তা।
রাষ্ট্রপক্ষের পিপি রনজুয়ারা সিপু বলেন, মোস্তফা হানিফ সৌদি আরবে একটি জাহাজের ক্যাপ্টেন ছিলেন। এই মিথ্যা মামলার কারণে তার চাকরিও হারাতে হয়। আদালত ন্যায়সংগত রায় দিয়েছেন, রাষ্ট্রপক্ষ এতে সন্তুষ্ট।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জাফর ইকবাল জানান, আমার মক্কেল কাওসার এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।