মোঃ রাসেল হাওলাদার::বরিশাল সদর উপজেলা চরকাউয়া ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ড দিনার ছোনের মসজিদ এলাকায় মনু গোয়াল বাড়ির উত্তর পাশে মোহাম্মদ রিপন হাওলাদার প্রায় ১০ বছর আগে ক্রয়কৃত জমিতে জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ কর্মী ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে।অভিযোগে জানা যায়, মোঃ বিল্লাল হাওলাদার ১৮-১২-১৪ সালে মোঃ রিপন হাওলাদারের থেকে বিএস ৭৯০ এস এ ২৯৯৭/২৯৯৮/ ২৯৯৯ নং দাগে দলিল মূলে ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। এর থেকে এখন পর্যন্ত ভোগ দখলদার হিসাবে নিযুক্ত আছেন তিনি।বেল্লাল হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, বুধবার(১৯ নভেম্বর) বিকাল ৪টার সময় বেল্লাল হাওলাদারের স্ত্রী জোসনা বেগম তার জমিতে গেলে হঠাৎ করে সন্ত্রাসী রিপন হাওলাদার ও তার বাহিনী মোঃ সোহেল হাওলাদার, সোহান হাওলাদার, চাঁনবরু ও লিটন হাওলাদারসহ ৫/৭ জনের এটা গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি নিয়ে তা সহযোগীরা আমাদেরকে হুমকি দেয়। জমির কাছে আসতে বাধা দিতে আসলে আমাদেরকে খুন করার হুমকি দেয়। এতে আমরা নিরাপত্তায় হীনতায় ভুগছি।পরবর্তীতে আমার ভাই মোঃ হালিম মৃধা, এবং আমার দেবর মোহাম্মদ আনিস হাওলাদার, হেলাল হাওলাদার, ও জেল্লাল হাওলাদার সহ আরো কয়েকজন মিলে আমার ক্রয় সম্পত্তিতে যাওয়ায় কেন বাধা দিবে সেই কথা জিজ্ঞেস করতেই রিপন হাওলাদারের বাহিনী আমাদেরকে এলোপাতাড়ি লোহার দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে আমার দেবর আনিছ হাওলাদার ও জেল্লাল হাওলাদারকে এবং আমাদেরকে এলোপাতাড়ি রড দিয়ে পিটাতে থাকে যাহাতে আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটনের চিহ্ন আছে সেই সময় আমার স্বর্ণের নাক ফুল, আমার হাতে থাকা দামি একটি ঘড়ি , এবং আমার হাতে থাকা স্মার্টফোন ভেঙে যায়, তখন আমরা ডাক চিৎকার করলে তখন আমাদের ডাক চিৎকার শুনিয়া আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে আগাইয়া আসিলে আমাকে ও আমার পরিবারকে পরিবারের লোকজনকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভিত্তিসহ খুন জখমের হুমকি প্রদান করিয়া ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এতে আমার দুই দেবর গুরুতর হওয়ায় স্থানীয় সাক্ষীদের সহযোগিতায় আমি ও আমার দু দেবর, বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণের জন্য ভর্তি হয়। আমরা চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ হইয়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও নিকটতম আত্মীয়-স্বজন সহিত আলাপ-আলোচনা করিয়া থানায় আসিয়া এজাহার দায়ের কড়িতে বিলম্ব হইল অতএব, মহোদয় উপরোক্ত বিষয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে মর্জি হয়।