ই-পেপার জাগ্রত খবর - জুন ১২, ২০২৬, ৮:২৮ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ আগস্ট ১, ২০২৫, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ
বাউফলে ফাহিম হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন
বাউফল(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি::পটুয়াখালীর বাউফলের এইচএসসি পরীক্ষার্থী মো. ফাহিম বয়াতি (২০) হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকেলে বাউফল-দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলার সীমান্তবর্তী ধলু ফকিরের বাজারে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি পালন করেন এলাকাবাসী। নিহত ফাহিম বাউফল উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের ভাঙা এলাকার মো. জাকির বয়াতির ছেলে। সে নওমালা আবদুর রশিদ খান ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। মানববন্ধনে শিক্ষার্থী ফাহিমের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় বাসিন্দা ও বাজারের ব্যবসয়ী মো. জাফর প্যাদা, আবু বকর (২০) ও ইব্রাহিম মৃধা (২৯)। নিহতের বাবা মো. জাকির বয়াতি, ভাই মো. নাইম (১৮), আবু বকর (১৯), জাফর প্যাদা (৫৫), ইব্রাহিম মৃধা (২৫)বক্তারা বলেন, মাদকাসক্ত কিশোর গ্যাং শাকিল মীরকে (২০) গাঁজাখোর বলায় নির্মমভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মেধাবী শিক্ষার্থী ফাহিমকে হত্যা করা হয়। এসময় ফাহিমের বাবা ছেলেকে বাঁচাতে আসলে তাকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। এঘটনার এক মাস পার হয়ে গেলেও অদৃশ্য কারণে পুলিশ আসামীদের গ্রেপ্তার করছেন না। উল্টো আসামীরা নিজেদের ঘর পুড়িয়ে নিহত ফাহিমের বাবার নামে মামলা করেছেন। নিহত ফাহিমের বাবা জাকির হোসেন বলেন, আমি গবির মানুষ। মাছ বিক্রি করে সংসার চালাই। কষ্টের টাকায় ছেলেকে পড়াশুনা করাচ্ছিলাম। বিনা দোষে ঘাতক শাকিল, শানু ও সোহাগ আমার ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করে। আমি আমার ছেলেকে বাঁচাতে আসলে আমাকেও কুপিয়ে জখম করে। ছেলে হত্যার এক মাস পেরিয়ে গেলেও পুলিশ আসামীদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আসামীরা প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে। মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছেন।দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আবদুল আলীম বলেন, মামলার একজন আসামীকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজাতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামীদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
Copyright © 2026 জাগ্রত খবর - jagrata Khobor. All rights reserved.