
বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি::বরিশালের বাকেরগঞ্জ এমএ মালেক কলেজের ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী (পিয়ন)শামিম আহম্মেদ ভুয়া প্রভাষক সেজে এইচএসসি পরীক্ষার ডিউটি দেওয়ায় তাকে কলেজের ডিউটি থেকে বহিস্কার কারা হয়েছে। তথ্য সুত্রে জানা যায় বিলকিস জাহান স্কুল এন্ড কলেজে ১৫ জুলাই ২০২৫ তারিখ একাউটিং পরীক্ষায় নিজের আসল পরিচয় গোপন রেখে দীর্ঘ দিন পর্যন্ত এ কাজ করে আসছিলো। গতকাল বিষয়টি উপজেলা র্নিবাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজের নজরে আসলে তাকে সকল প্রকার ডিউটি থেকে অব্যহতি দিতে আদেশ প্রদান করেন তিনি। এ সময় তিনি আরও জানান সে একটি কলেজের এমএলএসএস এবং সরকারী বেতন ভুক্ত এমপ্রেয়ার হয়ে প্রভাষক হয় কেমন করে। মালেক কলেজের অধ্যক্ষ জানান সে যে প্রভাষক সেজে ডিউটি দেয় এটা আমার জানাই নাই। সে আমার কাছ থেকে লিখিত কোন কাগজ নেয় নাই এ ব্যাপারে আমি আইনত ব্যবস্থা নিব এবং সে আমার অনুমতি ছাড়া অন্য কোন কলেজে এমএলএসএস হয়ে এইচ এস সি পরীক্ষার ডিউটি দিতে পারে না । সে আমার কলেজে ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী( পিয়ন) শামিম আহম্মেদ বর্তমানে চাকুরী করছে তার এমপিও সিডে ইনডেস্ক নং ৮৩০০৯২৫৫ এ ছাড়াও এমএ মালেক কলেজের ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী শামিম আহম্মেদ তার বিরুদ্ধে সাংবাদিকের উপর হামলা ও হত্যার হুমকী প্রদান এবং টাকা চুড়ির ঘটনায় বরিশাল আমলী আদালতে আসামীর প্রতি সমন জারী হয়েছ্ যার মামলা নং ১০৬/৩৯৯১ ধারা ৩২৩ এবং ৫০৬৯ (২) আসামি অজ্ঞাতনামা ২-৩ জন। এ ছাড়াও এমএ মালেক কলেজের কয়েকজন প্রভাষক জানান সে ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী হয়ে আমাদের কলেজের এবং সকলের সম্মান নষ্ট করছে।এ ছাড়াও সে বিভিন্ন সময় নিজেকে কখনও অধ্যক্ষ কখনও প্রভাষক,কখনও কন্টাকটর,কখনো কথিত সাংবাদিক, কখনও এমএল এসএস। অনেকেরই প্রশ্ন মুলত সে কি?খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় তার গালায় মানবজমিন পত্রিকার আইডি কার্ড ঝুলিয়ে বাকেরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় চষে বেড়ায় স্কুল কলেজ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে অন্যায় অনিয়মের কথা বলে চাঁদাবাজি করে, এবং উপজেলায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থেকে গাড়ির তেল খরচের টাকা নিয়ে সটকে পড়ে কথিত সাংবাদিক শামিম। মালেক কলেজের একাধিক প্রভাষকের সাথে কথা হয় তারা জানান দেশের স্বনামধন্য পত্রিকা দৈনিক মানবজমিনের নাম বিক্রি করে গাড়িতে স্টিকার লাগিয়ে বাকেরগঞ্জে দাপিয়ে বেরায়, সে কোন ডিউটি করে না কলেজ কর্তৃপক্ষ তার ভয় থাকে কিছু বললে সে মানবজমিন এর ভয় দেখায়। তারা আরো জানান পিয়ন ভুয়া প্রভাষক সেজে কিভাবে কলেজে ডিউটি করল এটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদন্তের মাধ্যমে বের করে এর সাথে কারা কারা জড়িত তাদের সহ শামীমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।