বানারীপাড়ায় হাতে মেহেদীর রঙ না মুছতেই নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু! - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
ই-পেপার জাগ্রত খবর - নভেম্বর ৬, ২০২৬, ৬:০১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ১৮, ২০২৬, ৬:৫৬ এ.এম
বানারীপাড়ায় হাতে মেহেদীর রঙ না মুছতেই নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু!
বিশেষ প্রতিনিধি:: বরিশালের বানারীপাড়ায় দু’হাতে বিয়ের মেহেদীর রঙ না মুছতেই মুনিয়া আক্তার (২২) নামের এক নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কদমবাড়ী গ্রামের হাওলাদার বাড়ির প্রকৌশলী মেহেদী হাসানের (৩০) স্ত্রী।শনিবার (১৬ মে) দুপুরে উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের কদমবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।জানা গেছে, মাত্র দুই মাস পূর্বে বানারীপাড়ার কদমবাড়ী গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসানের সঙ্গে স্বরূপকাঠী উপজেলার সোহাগদল গ্রামের মোশারফ হোসেনের মেয়ে মুনিয়া আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছিল। ঘটনার পর থেকে স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করা হয়।মেহেদী হাসানের পিতা-মাতা (মুনিয়ার শ্বশুর ও শাশুড়ি) জানান, ঘটনার দিন শনিবার সকাল থেকেই মুনিয়া সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিলেন। তবে দুপুরের দিকে হঠাৎ করে ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে তাদের সন্দেহ হয়। বেশ কিছুক্ষণ ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে পরবর্তীতে দরজা ঘরের ভেতর মুনিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়। তারপরেও তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।এদিকে, নিহতের ননদ তামান্না ঘটনাটিতে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন। তিনি দাবি করেন, বিয়ের কিছুদিন পর একদিন মুনিয়া তার (তামান্না) সাথে একই রুমে একত্রে ঘুমিয়েছিলেন। ওই রাতে ঘুমের মধ্যে আচমকাই মুনিয়া তার গলা চেপে ধরেন। এই ঘটনার সূত্র ধরে তামান্না ও তার পরিবারের দাবি—মুনিয়া সম্ভবত কোনো তীব্র মানসিক সমস্যায় ভুগছিল।রোববার (১৭ মে ) বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্ত সম্পন্ন শেষে বাবার কাছে মুনিয়ার মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে মুনিয়ার পরিবারের কোন অভিযোগ নেই, তার বাবা বাদী হয়ে মেয়ে স্বেচ্ছায় আত্মহত্যা করেছে মর্মে থানায় ইউডি মামলা করেছেন।