বরিশাল প্রতিনিধি::যারা একদিন অবহেলিত মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায় করে দেওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন নিয়ে লেখাপড়া করেন, আজ সেই শিক্ষার্থীরাই নিজেদের অধিকারের জন্য অসহায় হয়ে পড়েছেন। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১,৯১৪ জন শিক্ষার্থী, যার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেকেই—দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়েছে পরিবারগুলো।
আইনের শিক্ষার্থীরা বলেন—ন্যায্য অধিকার না পেলেও কষ্ট কম, কিন্তু যা পাওয়ার কথা ছিল তা যদি অন্যায়ভাবে কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে তা অসহনীয় হয়ে ওঠে।স্টপেল নীতির (Evidence Act, Section 115) লঙ্ঘনের অভিযোগ
আইন অনুযায়ী, কারও কথায় বিশ্বাস করে কেউ কাজ করলে পরে সেই ব্যক্তি তার কথার বিরোধী অবস্থানে যেতে পারেন না—এটাই স্টপেল (Estoppel) নীতি। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, বার কাউন্সিল এই নীতি লঙ্ঘন করে শিক্ষার্থীদের প্রথমে উত্তীর্ণ ঘোষণা করলেও, পরে আকস্মিকভাবে একটি নোটিশ দিয়ে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।
উত্তীর্ণ ঘোষণার পর বহু শিক্ষার্থী:
ডায়েরি লিখেছেন,
আইনজীবীর পোশাক কিনেছেন,
পরিবারকে খুশির সংবাদ দিয়েছেন,
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সাজিয়েছেন।
হঠাৎ সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ফলে ১,৯১৪টি পরিবার চরম হতাশায় নিমজ্জিত।
‘ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত’—শিক্ষার্থীদের দাবি
শিক্ষার্থীদের দাবি, কিছু অহংকারী আইনজীবীর ষড়যন্ত্র, নাটক ও মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে বার কাউন্সিল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা প্রশ্ন তুলছেন—
“আইন যারা শিখায়, তারাই যদি আইনি প্রক্রিয়া ভঙ্গ করে সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার কোথায় পাবে?”
গত ১৬ বছরে এমন ঘটনা ঘটেনি বলে উল্লেখ করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের প্রশ্ন, একসাথে ১,৯১৪ জন কীভাবে অপরাধ করতে পারেন?
হাজারো পরিবারের ভবিষ