1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
আন্দোলন চলবে সংসদে, আন্দোলন চলবে রাজপথে - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শুক্রবার| বিকাল ৪:৩৮|

আন্দোলন চলবে সংসদে, আন্দোলন চলবে রাজপথে

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩২ বার পড়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক::গণভোটের রায় না মানলে সংসদ ও রাজপথে সমানভাবে আন্দোলন চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, গণভোটের এই রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলনে আমরা কোনো ধরনের বিশ্রাম নেব না। আন্দোলন চলবে সংসদে, আন্দোলন চলবে রাজপথে। রাজপথ ও সংসদ যেদিন একাকার হয়ে যাবে, সেদিন বালুর বাঁধ দিয়ে কেউ সমুদ্রের জোয়ার থামাতে পারবে না।গতকাল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশ থেকে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও চলমান বিভিন্ন সংকট নিরসনের দাবিতে ঢাকায় গণমিছিলসহ তিন মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। বক্তব্য রাখেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান, কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বিরোধী দলের চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির ইউসুফ আশরাফ, মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমাদ (হানজালা), ডাকসু সভাপতি সাদিক কায়েম প্রমুখ। শফিকুর রহমান বলেন, ’৭১ সালে জনগণের রায়কে মান্য না করার কারণে একটি যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। যারা রায় অস্বীকার করেছিলেন তাদের পরিণতি ভালো হয়নি। এবারও যারা রায় অস্বীকার করছেন, তারা নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের অংশ মনে করেন। আমরা বলি সেই মুক্তিযুদ্ধকেই সম্মান করে রায়টা মেনে নেন। তিনি বলেন, আজকে যে মঞ্চে আমরা দাঁড়িয়েছি, এই মঞ্চের সঙ্গে দুটি জিনিস কখনো যাবে না। একটা আধিপত্যবাদ, আরেকটা ফ্যাসিবাদ। এই দুইটাকে এই মঞ্চ কখনো কবুল করবে না, বরদাশত করবে না। এই মঞ্চে যারা বসে আছেন তারা জাতির স্বার্থে অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না।  বিএনপি বিভিন্ন ন্যারেটিভ তৈরি করে জাতিকে বিভক্ত করেছে উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, নির্বাচনের আগে বলেছিলেন সরকার গঠন করলে সবাইকে নিয়ে দেশ চালাবেন। এখন আপনারা কী করছেন? একদলকে পাঠায়ে দিচ্ছেন পাকিস্তানে, আরেক দলকে আরব দেশে, আর নিজেরাই দেশের জমিদার সেজে দখল নিচ্ছেন। মনে রাখবেন দুইটা স্লোগান ছিল বড় শক্তিশালী-একটা ছিল ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ আরেকটা ছিল ‘দেশটা কারও বাপের নয়’। বিরোধী দলের চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ হ্যাঁ ভোট দিয়েছে, ফলে জুলাই সনদ ও সংস্কারের পক্ষে পাওয়া গণরায়কে বাস্তবায়ন করতেই হবে। তিনি বলেন, আমরা এখনো অল্প কথা বলছি, কারণ দেশে অনেক সংকট। দেশে জ্বালানির সংকট, শিশুরা হামে চিকিৎসা পাচ্ছে না, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে- এই ধরনের অস্থিতিশীলতার সুযোগ নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান, কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, আমরা সমগ্র জাতিকে জানাতে চাই- এই সরকার যে কথা দিয়েছিল, সেই কথা তারা মানেনি। ইতোমধ্যে তারা প্রমাণ করেছে যে, প্রত্যেকটি জেলায় জেলা পরিষদে প্রশাসনিক ব্যবস্থা করেছে এবং তাদের দলীয় লোকজনকে দিয়ে পরিচালনা করছে, যা এক ধরনের বাকশালের নমুনা। তিনি বলেন, আমরা তো কোনো ব্যাংকের মালিক হতে চাইনি। আমরা চেয়েছি যারা বিচারপতি হবেন, তারা একটি পরীক্ষার মাধ্যমে বিচারপতি হবেন, তারা কোনো দলীয় ব্যক্তির দ্বারা প্রভাবিত হবেন না। এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর আচরণে তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক জান্তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। জনরায়কে ক্ষমতার জোরে উপেক্ষা করা কোনোভাবেই শুভ লক্ষণ নয় এবং এর পরিণতি কখনোই ভালো হয় না।সভাপতির বক্তব্য মাওলানা মামুনুল হক বলেন, জুলাইয়ের অঙ্গীকার ছিল আগামীর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। যার ভিত্তি হবে ১৯৪৭ সাল, ২০১৩ সাল এবং ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক বিজয়ের ভিত্তির ওপর। তিনি আরও বলেন, এই জুলাই বিপ্লব ১৯০৫ এর বঙ্গভঙ্গের চেতনাকে ধারণ করে, ১৯২১ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাপটকে ধারণ করে, ১৯৪৭ সালের স্বাধীন জাতিসত্তাকে ধারণ করে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে, ২০১৩ সালের শাপলার চেতনাকে ধারণ করে এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে ধারণ করে।বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তিন মাসের কর্মসূচি : গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও চলমান বিভিন্ন সংকট নিরসনের দাবিতে ঢাকায় গণমিছিলসহ তিন মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মে, জুন ও জুলাই মাসে জেলায় জেলায় নাগরিক সমাবেশ এবং ৫ আগস্ট ঢাকায় গণমিছিল।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com