1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শাখা স্থাপন নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শাখা স্থাপন নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১৭ বার পড়েছেন
স্টাফ রিপোর্টার::দক্ষিণাঞ্চলের নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে প্রধান গেটের বিপরীতে অবস্থিত বরিশাল জেলা পরিষদের পুরাতন ভবনের ২য় তলার উপরে নির্মাণাধীন কার্যক্রম (পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শাখা অফিস) বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অপরদিকে সরকারি আদেশ অমান্য করে ফাঁকে ফাঁকে নির্মাণ কার্যক্রম সম্পন্ন করে যাচ্ছেন লিজ গ্রহীতা ও তার ভাড়াটিয়া। পুরাতন ভবনের দুর্বল পিলার ও বিমের উপর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নতুন স্থাপনা সহ সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে- ভবিষ্যতে ভবন ধসে মানুষ হতাহত হলে তার দায়ভার কে নেবে বলে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন কয়েক বাসিন্দা।বরিশাল জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, অফিসিয়ালভাবে নির্মাণাধীন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসাথে লিজ দাতাকে নোটিশ প্রেরণ করা হয়েছে। তারপরও কার্যক্রম চলমান রাখলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রেজাউল বারী বলেন, নির্মাণাধীন কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য উচ্ছেদ শাখা থেকে দুইবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তারপরও কার্যক্রম চলমান রাখলে ৩য় দফায়ও নোটিশ প্রেরণ করা হবে। সর্বশেষ নিয়মানুযায়ী বৈধ কাগজপত্রের অনুকূলে যুক্তিগতভাবে নোটিশের জবাব না পেলে বিসিসি আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে।বিসিসির উচ্ছেদ শাখার আড়াই মো. ইমরান হোসেন বলেন, কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য এখন পর্যন্ত দুইবার নোটিশ প্রেরণ করা হয়েছে এবং ঘটনাস্থলের সব তথ্য বিসিসি’র কর্তৃপক্ষকে জানানো হচ্ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ এর নির্মাণাধীন কার্যক্রম পরিচালনা করছে আসিফ ও তমাল। কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য বিসিসি ও জেলা পরিষদ নোটিশ দিলেও তা অমান্য করে ফাঁকে ফাঁকে নির্মাণ কার্যক্রম সম্পন্ন করে যাচ্ছেন। সঠিকভাবে প্রকৌশলগত নকশা অনুসরণ না করে পুরাতন ভবনের ছাদে, দুর্বল পিলার ও বিমের উপর নতুন করে নির্মাণ কার্যক্রম শুরু করলে, উপরে মাত্রাতিরিক্ত লোড হলে ভবিষ্যতে ভবন ধসের মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটবে।সূত্রটি আরো জানায়, ১৯৮৩ সালে জেলা পরিষদের উদ্যোগে নগরীর বান্দ রোডে ২য় তলা ভবন নির্মিত হয়। শেবাচিম হাসপাতালের সামনে সড়কের বিপরীতে পুরাতন ভবনের ২য় তলার পূর্ব পাশের অংশটি- ২০১৯ সালে জেলা পরিষদ থেকে লিজ নেয়েছিলেন মো. মাহামুদুল হক ও মো. আফিস ইকবাল। সম্প্রতি ২য় তলায় থাকা পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামক প্রতিষ্ঠানটি সংস্কার কার্যক্রম শুরু করার পাশাপাশি পুরাতন ভবনের দুর্বল পিলার ও বিমের উপর ৩য় তলা স্থাপনা নির্মাণাধীন কার্যক্রম শুরু করে।এমন পরিস্থিতির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এমন কার্যক্রম স্থগিত করার জন্য চলতি বছরের ১২ মার্চ ডাক যোগে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) ও সাংবাদিক সংগঠন বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন নগরীর বান্দ রোড ঔষধ ব্যবসায়ী সমিতি সংগঠনের প্রায় এক ডজন সদস্য। যার অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে- বিসিসি’র প্রশাসক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সহ সাংবাদিক সংগঠন ‘বরিশাল প্রেস ক্লাব’ ও ‘বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি’ এর সভাপতি/সম্পাদক বরাবর। পরে ওই ঘটনা ঘটে।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com