1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
বরিশাল জিলা স্কুলে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
বরিশালের হিজলায় মাদকের স্বর্গরাজ্য প্রশাসন নিরব ভূমিকায় ডিসেম্বরে মালয়েশিয়া বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ফ্লাইট চালুর প্রত্যাশা পুলিশ পরিদর্শক থেকে এএসপি হলেন ৬৭ কর্মকর্তা ৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা শিল্পকারখানায় অস্থিরতা আওয়ামী লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী হাসিনার জন্য ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বরিশালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা, পাইপ জব্দ মির্জাগঞ্জে জুতা ও প্রবেশপত্রের সূত্র পাওয়া গেল স্কুলছাত্রীর মরদেহ দুমকিতে কদমতলা কলেজে বহিরাগতদের হামলা, আহত দুই শিক্ষার্থী বরিশাল জেলা জামায়াতের নতুন আমির ডক্টর মাহফুজুর রহমান

বরিশাল জিলা স্কুলে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৬ বার পড়েছেন
মোঃ ফেরদাউস:: বরিশাল জিলা স্কুল কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলামের প্রকাশ্য মদদে এসব অনিয়ম হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী অভিভাবকদের। তারা এ বিষয়ে প্রতিবাদ করেও কোন প্রতিকার পাননি বলে জানান।একাধিক অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আমাদের সন্তানরা জিলা স্কুল কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। সেখানে বিশেষ সুবিধার বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলামের তৎপরতায় অনিয়ম হচ্ছে। ১১১, ১১২ ও ১১৩ নং কক্ষে দেওয়া শিক্ষার্থীদের বিশেষ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। নকল করার সুযোগ, দেখাদেখির সুযোগ এবং শিক্ষকদের গার্ড দেওয়াকে সিথিল করা হয়েছে। অথচ অন্যান্য রুমে নিয়মানুযায়ী কড়াকড়ি করা হয়েছে। এতে কষ্ট করে পড়াশোনা করা মেধাবীরা ধরাশায়ী হবে অবৈধ সুবিধা পাওয়া ওসব শিক্ষার্থীদের কাছে। ফলে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন ব্যাহত হতে পারে।তারা আরো বলেন, এ বিষয়ে হেড মাস্টার নুরুল ইসলাম স্যারের কাছে আমরা অভিযোগ নিয়ে গেলে তিনি তা আমলে নেননি। মূলত হেডমাস্টার স্যারের মদদেই এসব হচ্ছে। এতে বিশাল অংকের টাকা লেনদেন হয়ে থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।বিক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বরিশাল জেলা প্রশাসক সহ সস্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে জরুরী পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন।এ বিষয়ে বরিশাল জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম গণামাধ্যমকে বলেন, কয়েকজন অভিভাবক আমাকে এমন একটি অভিযোগ জানিয়েছেন। আমি বিষয়টি আমলে নিয়েছি। বিগত পরীক্ষায় ছাড় দেওয়া হয়েছে কিনা জানিনা। তবে সামনের পরীক্ষাগুলোতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সে ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।তিনি আরো বলেন, অভিযোগটি বিশ্বাসযোগ্য নয়। কেননা ছাড় দেওয়া হলে তা অন্য অভিভাবকরা জানার কথা নয়। তাছাড়া একেক দিন একেক শিক্ষক গার্ড পড়েন, তারা কেন সবাইকে ছাড় দিবে ?বরিশাল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সালমা পারভীন বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। গুরুত্ব সহকারে আমি জানাচ্ছি। পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ধরনের অনিয়ম কোন ভাবেই কাম্য নয়। সত্যতা থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানাবো।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com