1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
সারের নীতিমালা নিয়ে বিতর্ক ও উদ্বেগ - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
বরিশালের হিজলায় মাদকের স্বর্গরাজ্য প্রশাসন নিরব ভূমিকায় ডিসেম্বরে মালয়েশিয়া বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ফ্লাইট চালুর প্রত্যাশা পুলিশ পরিদর্শক থেকে এএসপি হলেন ৬৭ কর্মকর্তা ৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা শিল্পকারখানায় অস্থিরতা আওয়ামী লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী হাসিনার জন্য ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বরিশালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা, পাইপ জব্দ মির্জাগঞ্জে জুতা ও প্রবেশপত্রের সূত্র পাওয়া গেল স্কুলছাত্রীর মরদেহ দুমকিতে কদমতলা কলেজে বহিরাগতদের হামলা, আহত দুই শিক্ষার্থী বরিশাল জেলা জামায়াতের নতুন আমির ডক্টর মাহফুজুর রহমান

সারের নীতিমালা নিয়ে বিতর্ক ও উদ্বেগ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৬ বার পড়েছেন
জাগ্রত নিউজ::দেশে সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে প্রণীত সমন্বিত নীতিমালা ২০২৫ ঘিরে তৈরি হয়েছে নানান বিতর্ক ও উদ্বেগ। সারা দেশে সার সরবরাহকারী ৪৬ হাজার ডিলার ও বিশেষজ্ঞদের মত উপেক্ষা করে নতুন এ নীতিমালা জারি করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। পুরো সার সরবরাহ সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দিতে কোনো কারণ ছাড়াই নতুন নীতিমালা জারি করে বিগত সরকার।সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এ নীতিমালা কৃষি খাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে এবং মাঠপর্যায়ে সার সরবরাহব্যবস্থা বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে। সার না পেয়ে মব সৃষ্টি হতে পারে ডিলারদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, একটি মহলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে তড়িঘড়ি এ নীতিমালা তৈরি করা হয়েছিল। ফলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন সামনে এসেছে।জানা গেছে, দেশে কৃষি খাতে সার সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনো নীতিমালা না থাকায় চরম বিশৃঙ্খলা থেকে মুক্ত করতে ১৯৯৫ সালে বিএনপি সরকার প্রথম নীতিমালা জারি করে। ওই নীতিমালা জারি করে দেশের সার ব্যবসায় যে বড় সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল সেটা পুরোপুরি ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর ১৯৯৭, ২০০৩ এবং সর্বশেষ ২০০৯ সালে সরকার সুষ্ঠু সার সরবরাহে নীতিমালা জারি করে। ২০০৯ সালের নীতিমালার আওতায় দীর্ঘদিন ধওে দেশে সার সরবরাহব্যবস্থা একটি সুসংগঠিত কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকের দোরগোড়ায় সময়মতো সার পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে এবং বড় ধরনের অনিয়ম বা সরবরাহ সংকটের অভিযোগও তুলনামূলক কম। ২০২৫ সালে কোনো কারণ ছাড়াই অন্তর্বর্তী সরকার নতুন সিন্ডিকেটের হাতে সার সরবরাহের ব্যবসা তুলে দিতে নতুন নীতিমালা জারি করে। ২০০৯ সালের নীতিমালা উপেক্ষা করে নির্দিষ্ট কয়েকজনের হাতে এ ব্যবসা তুলে দেওয়া হয়।এ বিষয়ে সার ডিলার প্রতিনিধি মো. জালাল উদ্দীন শেখ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, যে নীতিমালা করা হয়েছে সেটা বাস্তবায়ন হলে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হবে। কোথাও কোথাও বেশি সার পাবে কোথাও কেউ পাবে না। প্রান্তিক অঞ্চলে লাখ লাখ টাকার সার মজুত করতে হবে কোনো নিরাপত্তা ছাড়া। এটা কেউ করবে না। এতে যারা সার না পাবে তারা অন্য ডিলারদের গুদাম লুট করবে। যে মব সন্ত্রাস বিগত সরকার চালু করেছে তার ভয়াবহ পরিস্থিতি সার সরবরাহের ক্ষেত্রেও পড়বে। তাই সরকারের কাছে আমাদের আবেদন, কৃষি খাতে অস্থিরতা যাতে ফিরে না আসে সেজন্য এ নীতিমালা বাতিল করতে হবে।বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, ‘পুরোপুরি অযৌক্তিকভাবে সার নীতিমালা জারি করা হয়েছে। রাজনৈতিক চিন্তা থেকে এটি করেছে একটি মহল; যা সার সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি করবে। একটি স্থিতিশীল সরবরাহব্যবস্থাকে ঝুঁকির মুখে না ফেলে প্রয়োজন হলে বিদ্যমান ২০০৯ সালের নীতিমালায় আংশিক সংশোধন এনে যুগোপযোগী করা যেতে পারে।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com