অভিযোগকারী মোঃ রেজাউল করিম মুন্না জানান, ঘটনার সময় কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে অফিসের সামনে এসে ভাঙচুর চালান। এ সময় বাধা দিতে গেলে অফিসের এক কর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে হামলাকারীরা অফিসের ভেতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম ভাঙচুর করেন। এতে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
স্থানীয় সাংবাদিকরা সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে অভিযোগে উল্লেখ করা ভাঙচুর ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে মিল পাওয়া যায়। এ সময় স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বললে তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কুরিয়ার অফিসের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও দাবি জানান তাঁরা।
ভাড়াকৃত কুরিয়ার সার্ভিসের অফিসের বাড়ির মালিকের বড় ভাই সাংবাদিকদের বলেন, “এ ধরনের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা প্রয়োজন। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।”
বাড়িটির মালিকের স্ত্রী জানান, “ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বাড়ির ভিতর থাকা ানির লাইন ভেঙে ফেলেছে, ২টি সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলেছে, বাড়ির জানালাগুলো ভেঙে ফেলেছে, কুরিয়ার সার্ভিসের অফিসের ভিতরে থাকা বিভিন্ন মালামাল ভেঙে নষ্ট করে ফেলেছে। ভাঙচুরের কারণে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণ করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি এবং আমাকে বিভিন্ন সময় হুমকি দেওয়া হয়েছে তাই আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
অফিসের অন্য এক কর্মচারী জানিয়েছেন, এসব ঘটনার সাথে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই, যারা আমাদের উপর হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়েছে, তাদের সাথে আমাদের কোনো বিরোধ নেই, আমরা তাদের চিনিও না। আমরা এই ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত বিচার চাই।
এদিকে, অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের মোবাইল ফোন নম্বর না থাকায় মুঠোফোনেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগকারী উজিরপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।







