1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| সোমবার| সকাল ৬:০৯|
শিরোনামঃ
আদম ও হাওয়াকে আল্লাহর দেওয়া নিশিদ্ধ ফল খাওয়াইয়ে পোশাষ খুলে শয়তান আনন্দ পেয়েছে সেই দলে বর্তমান জামানা খুলনায় নামাজের স*ম*য় মসজিদে ঢুকে গুলি, দুই মুসল্লি গুলিবিদ্ধ শিক্ষকদের অবসর সুবিধা দিতে শি*ক্ষা*ম*ন্ত্রী*র নতুন উদ্যোগ দখল আর অপরিকল্পিত নগরায়ণে হারিয়ে যাচ্ছে বরিশাল বহু খাল র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার বাকেরগঞ্জে সাইদুল হত্যার প্রধান আসামী মিলন গৌরনদীতে দুপুরে হত্যার হুমকি, বিকেলে রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জ*খ*ম পাথরঘাটায় রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন ঘরে, স*কা*লে রাস্তার পশে মি*ল*ল মরদেহ মির্জাগঞ্জে স*ন্ত্রা*সী হামলায় গর্ভপাত, হাসপাতালে কা*ত*রা*চ্ছে মাহিনুর বাজেটে বরিশালে বাণিজ্যিক উন্নয়নের দাবি আট বিভাগেই বৃষ্টির আভাস

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৯৯ বার পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক::প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মোস্তফা মাইদুল মোর্শেদ মুরাদের বিরুদ্ধে সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি প্রকল্পে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নভুক্ত গ্রামাঞ্চলের মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান, শ্মশানঘাট, রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট স্থাপন, মেরামত ও সংস্কারের জন্য সরকারি ও বিভিন্ন সংস্থার বরাদ্দ অর্থের সিংহভাগ তছরুপ হচ্ছে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে।দেশের তৃণমূলে উন্নয়ন ও দরিদ্রদের সহায়ক হিসেবে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার নানা অর্থ বরাদ্দ হয় উপজেলায়। উন্নয়নের জন্য ত্রাণ, দুর্যোগ ও পুনর্বাসন এবং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) উপজেলা পর্যায়ে থোক বরাদ্দ, সাধারণ ও বিশেষ নামে পরিচিত।অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাউফল উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কাবিটা বা কাবিখা কর্মসূচির আওতায় প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে কাবিটা ১ কোটি ৩৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার অনুকূলে ৭১ টি প্রকল্প,গম,চালের অনুকুলে ১৮ টি প্রকল্প বরাদ্দ হয়।গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ টিআর কর্মসূচির ১ কোটি ৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকার বিপরীতে ১১২টি এবং একই অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কাবিটা বা কাবিটা কর্মসূচির আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে কাবিটা ৯১ লাখ ৬৯ হাজার টাকার অনুকূলে ৩১টি এবং গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ টিআর কর্মসূচির আওতায় ৮৮ লাখ ১৬ হাজার টাকার অনুকূলে ৬৫টি, ৫২ টন চালের অনুকূলে ১৬টি এবং একই পরিমাণ গমের ১৫ টি প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। সর্বমোট ৪ কোটি ৮ লাখ নগদ টাকা এবং ৩৭৬ টন চাল ও গমের অনুকূলে ইউনিয়ন পর্যায়ে বরাদ্দের বিপরীতে প্রকল্প তালিকা জমা দেন।কয়েকজন ইউপি সদস্য বলেন, তারা প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত করে বিলের জন্য পিআইও অফিস থেকে নগদ টাকা বিল নিয়ে যান। অফিস খরচ বাবদ ১৯ শতাংশ টাকা কম দেওয়া হয় । ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বলেন, মেইন রাস্তা থেকে একটি প্রকল্পে আমাকে ২ লাখ ১ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। দুইবারে আমাকে ১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার বিল পিআইও অফিস থেকে নগদ টাকায় দিয়েছে। বাকি টাকা খরচ হিসেবে কেটে রাখা হয়েছে।এদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মোস্তফা মাইদুল মোর্শেদ মুরাদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কোনো ধরনের টাকা কেটে রাখা হচ্ছে না। আমরা প্রকল্প সভাপতির নামে বিল করে দিচ্ছি, কে উঠাচ্ছে তা বলতে পারব না। দুদকে মামলার বিষয়ে বলেন, মামলার প্রস্তুতি চলমান রয়েছে। এ বিষয় নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না।জেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলেন, প্রকল্প থেকে টাকা কম দেওয়া এবং নগদ টাকা দেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্ত চলছে আগামী পর্বে………..

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com