রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বোঝাপড়ায় যে ফাটল রয়েছে, সেটি দিনদিন আরও স্পষ্ট হচ্ছে। এতে করে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ এবং তাদের দোসররা। তাঁরা বলছেন, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ছয় মাস কিংবা এক বছর-নির্বাচন এ দেশে হবেই। নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, বিরোধগুলোও তত স্পষ্ট হতে থাকবে। যার যার স্বার্থের বিষয়ে রাখঢাক না করে কে কাকে ল্যাং মেরে এগিয়ে যাবে সেই চেষ্টা চলতে থাকবে। আক্রমণ, প্রতি-আক্রমণ বাড়বে। বিএনপি যদি দেখে সামনের নির্বাচনে ছাত্ররা তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী, তাহলে তারা ছাত্রদেরও ছাড় দেবে না। এটাই স্বাভাবিক। এটাই রাজনীতি। অন্যদিকে ছাত্ররাও দেখছে তাদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী এখন বিএনপি। তাই তারাও বিএনপির বিষয়ে কথা বলছে। ইতোমধ্যে এসব আলামত শুরু হয়ে গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, বর্তমান অনৈক্যের সুর দেশের ভবিষ্যতের জন্য মোটেই কল্যাণকর নয়। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে গণ অভ্যুত্থানের শক্তিগুলোর মধ্যে তাই কোনো দূরত্ব বা ভুলবোঝাবুঝি কাম্য নয়। কাম্য নয়, বিরোধকে উসকে দেওয়ার মতো পরস্পরের মধ্যকার পাল্টাপাল্টি বক্তব্যও। সেটি হলে দেশের চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ার যারা বিরোধী, তারা উৎসাহিত ও বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে।







