1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
বরিশাল পুলিশ মো. মনির হোসেনের সিমাহীন সম্পদ - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
এখন যারা আন্দোলনের নামে সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০০ কারখানা ছুটি ঘোষণা আশুলিয়ায় পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে আহত ১৫০, কাভার্ড ভ্যানে আগুন জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গাজীপুর অঞ্চলে দেড়শোর মতো কারখানায় ছুটি ঘোষণা যুদ্ধের প্রভাবে তেল পরিবহনে ভাড়া বৃদ্ধি পাঁচ গুণ, অস্থির জ্বালানি বাজার উজিরপুরে কুরিয়ার অফিসে হামলা-ভাঙচুর, ৫ লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ মির্জাগঞ্জে অটোচালক কে মারধর, হাসপাতালে ভর্তি  মুলাদীতে শ্বশুরবাড়ি থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হ’ত্যা আসন্ন ২ নং লতা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আজিমুল হাসান চৌধুরী (আজিম)

বরিশাল পুলিশ মো. মনির হোসেনের সিমাহীন সম্পদ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১১০ বার পড়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক::বরিশাল নগরীর উত্তর অক্সফোর্ড মিশন রোড এলাকায় গিয়ে দেখা মেলে ‘পান্না প্যালেস’ নামে সুউচ্চ ভবনের। বাড়িটির সদর দরজার ওপরে বেশ বড় করে লেখা ‘বাড়ির মালিক মো. মনির হোসেন মিয়া’। গত ৫ আগস্টের আগে এই ভবন মালিক মো. মনির হোসেন ছিলেন ভোলার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।
তার আগে একই জেলার আরও দুটি থানায় ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে অনিয়ম আর দুর্নীতির নানা অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের ব্যাপারে একাধিকবার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠিত হলেও তৎকালীন সরকারের এক প্রভাবশালী সংসদ সদস্যের জোরে বারবার বেঁচে গেছেন বলে জানা গেছে।
ওসি মো. মনির হোসেন মিয়ার বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন এক ভুক্তভোগী। সেখানে অভিযুক্ত এই পুলিশ কর্মকর্তা এবং তার পরিবারের বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের বিবরণী তুলে ধরা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পান্না প্যালেস নামে এই বাড়িটি ছাড়াও বরিশাল নগরীর কাউনিয়া এবং আমতলা মোড় এলাকায় তার এবং স্ত্রী শাহনাজ পান্নার নামে রয়েছে একাধিক জমির প্লট। বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার উত্তর কাজলাকাঠি গ্রামে রয়েছে বিশাল ফার্মহাউস।
এছাড়া, নগরীর রুপাতলী থেকে দপদপিয়া এলাকার দিকে কিছু এগোলে কাঠালতরা নামক এলাকায় ইন্সপেক্টর মনিরের একটি নির্মাণাধীন ভবন রয়েছে, যেটি দেখভালের দায়িত্বে তার শ্বশুড়। ৫ আগস্টের পর বাড়ির নির্মাণ কাজ বন্ধ আছে এবং সেটি বিক্রিরও চেষ্টা করা হয়
ওসি মনিরের চেয়ে বিত্ত-বৈভবে পিছিয়ে নেই তার স্ত্রী শাহনাজ পান্না। কোনো ধরনের উপার্জনের সঙ্গে জড়িত না থাকলেও তার নামে রয়েছে প্রাইভেটকার, ১৩০ ভরি সোনা এবং জমি। ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ভোলার চরফ্যাশন এবং বোরহানউদ্দিন থানায় দায়িত্ব পালনকালে এভাবে অর্থ সম্পদের পাহাড় তৈরিতে সক্ষম হন ওসি মনির ও তার পরিবার৷
অভিযোগ আছে, জুয়ার আসর ও সরকারি অভিযানের আটককৃত ইলিশ বিক্রি করেও মাসোহারা নিতেন তিনি। চরফ্যাশন থানায় থাকাকালীন ২০২০ এর সেপ্টেম্বরে স্থানীয় আমিনাবাদ ইউনিয়নের কুলছুমবাগ গ্রামের ফাতেমা বেগম নামে এক নারী মনির হোসেনের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে মেয়েকে থানায় আটকে রেখে চাঁদাদাবির অভিযোগ করেন।
এরপর বোরহানউদ্দিন থানায় দায়িত্ব পালনকালে ২০২৩ সালে একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভোলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে প্রধান করে গঠিত হয় তদন্ত কমিটি।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com