1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
বাউফলে ইউনিয়নে কাবিখা-কাবিটা ও টিআর প্রকল্পে বরাদ্ধকৃত টাকা লুটপাট - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| সোমবার| সকাল ৮:০৯|
শিরোনামঃ
আদম ও হাওয়াকে আল্লাহর দেওয়া নিশিদ্ধ ফল খাওয়াইয়ে পোশাষ খুলে শয়তান আনন্দ পেয়েছে সেই দলে বর্তমান জামানা খুলনায় নামাজের স*ম*য় মসজিদে ঢুকে গুলি, দুই মুসল্লি গুলিবিদ্ধ শিক্ষকদের অবসর সুবিধা দিতে শি*ক্ষা*ম*ন্ত্রী*র নতুন উদ্যোগ দখল আর অপরিকল্পিত নগরায়ণে হারিয়ে যাচ্ছে বরিশাল বহু খাল র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার বাকেরগঞ্জে সাইদুল হত্যার প্রধান আসামী মিলন গৌরনদীতে দুপুরে হত্যার হুমকি, বিকেলে রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জ*খ*ম পাথরঘাটায় রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন ঘরে, স*কা*লে রাস্তার পশে মি*ল*ল মরদেহ মির্জাগঞ্জে স*ন্ত্রা*সী হামলায় গর্ভপাত, হাসপাতালে কা*ত*রা*চ্ছে মাহিনুর বাজেটে বরিশালে বাণিজ্যিক উন্নয়নের দাবি আট বিভাগেই বৃষ্টির আভাস

বাউফলে ইউনিয়নে কাবিখা-কাবিটা ও টিআর প্রকল্পে বরাদ্ধকৃত টাকা লুটপাট

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২১২ বার পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক::পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার বাউফল ইউনিয়নের কাবিখা, কাবিটা (খাদ্যশস্য ও নগদ অর্থ) ও টিআর প্রকল্পের ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রকল্প কাগজে-কলমে কাজ দেখালেও বাস্তবে তার কোনো চিহ্ন নেই। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাউফল উপজেলায় এসব প্রকল্পে মোট বরাদ্দ ছিল ৪ কোটি ২১ লাখ ৭৯ হাজার ৩১৫ টাকা। তবে ২১ লাখ টাকার কাজও হয়নি বলে তথ্য পাওয়া গেছে।প্রকল্পের পরিপত্র অনুযায়ী, কাজ শুরুর আগে বাধ্যতামূলক সংশ্লিষ্ট প্রকল্প, কমিটির নাম ও বরাদ্দের পরিমাণ উল্লেখ করে সাইনবোর্ড স্থাপন করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বাস্তবে কোনো সাইনবোর্ড দেখা যায়নি।সেই অফিসের কর্মকর্তা জানান, এ অনিয়মের সাথে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের কার্যসহকারী জড়িত। কথিত উন্নয়নের নামে বাউফল কাগজে-কলমে কোটি টাকার বাণিজ্য চলছে। তবে, বাস্তবে কাজ হচ্ছে না।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে বাউফল উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয় থেকে ৪ কোটি ২১ লাখ ৭৯ হাজার ৩১৫ টাকা বরাদ্ধ হয়। এর মধ্যে ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় প্রায় ১৫২ টি প্রকল্পের কাজ করার কথা। কাগজ কলমে এসব প্রকল্পের নাম থাকলেও সরেজমিনে গিয়ে এই কাজের কোন অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায়নি। এ প্রকল্পগুলোর কাজে সরেজমিনে অনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার কাজ হয়েছে।সরেজমিনে বাউফল ইউনিয়নে গিয়ে দেখা গেছে, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রামের খাইরুলের বাড়ি থেকে ছগির মিনার বাড়ি পর্যন্ত মাটি ভরাটের জন্য ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০ টাকা, বেপারী বাড়ি থেকে দফাদার বাড়ি পর্যন্ত আরও একটি প্রকল্পে ২ লাখ ১৫ হাজার ৬০০ টাকা এবং একই রাস্তায় আরও দুটি প্রকল্পের আওতায় ২০ টন গম (সরকারি মূল্য প্রায় ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা) ও নগদ ২ লাখ ১০ হাজার টাকা, এলাকার মাস্টারের বাড়ি থেকে রাড়ী পর্যন্ত মাটির রাস্তা সংস্কারের জন্য বরাদ্দকৃত ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০ টাকা, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ টাকা, এছাহাকদের বাড়ি থেকে সোবাহান বাড়ি মাটির রাস্তা নির্মাণের জন্য ১২ টন চাল, যার সরকারি মূল্য ৬ লাখ ৮৩ হাজার ৮৬৮ টাকা। একই এলাকার একটি পার্শ্ব রাস্তায় আরও ২ লাখ ৯৮ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এ সকল রাস্তায় বরাদ্ধ হলেও সেটি অধিকাংশ রাস্তার কাজ না করেই টাকা উত্তোলন করা হয়ে গেছে।এদিকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পে একজন ব্যক্তি একাধিক প্রকল্পের সভাপতি হতে পারেন না। তবে, বাউফল ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আলতাব হোসেন একাই ৮টি প্রকল্পের সভাপতি হিসেবে রয়েছেন এবং এসকল প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করেছেন।স্থানীয়রা বলেন, গত দুই বছরে এই রাস্তাগুলোতে কোন কাজ করতে দেখা যায়নি। ভেবেছিলাম ৫ আগস্টের পরে চোরগুলো সব পালিয়ে গেছে। এখন দেখছি চোরের চেয়ে আরো বড় চোর ধরেছে আমাদের। প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে অধিকাংশই কাগজে সীমাবদ্ধ থেকে যাচ্ছে।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন,বিদ্যালয় বন্ধ থাকাকালীন সময় এক জাহাজ বালু ফেলেছেন তা আমরা জানিনা। এই এক জাহাজ বালুর দাম ১৫ হাজার টাকা কিন্তু আমার বিদ্যালয় বাজেট হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ টাকা।প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের কার্যসহকারী জানান, অফিসের সকল কাজ করেছেন পিআইও। তিনি দেখেই বিল পাস করেছেন।

ইউনিয়ন সচিবের কাছে প্রজেক্টর হিসেব থাকছে না বলে অভিযোগ করেছে আবুল হোসেন

এর দায়ভার সব তার। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।সাবেক ইউপি সদস্য বলেন, ইউএনও বরাবর অভিযোগ করলেও তিনি পিআইওকে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিলেও তিনি কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে সব বিল পরিশোধ করেছেন। ৪ কোটি ২১ লাখ ৭৯ হাজার ৩১৫ টাকার প্রকল্পের বিপরীতে ১০ লাখ টাকার কাজও দেখানো সম্ভব না। এমন লুটপাট আমার জীবনে দেখিনি।এ বিষয়ে বাউফল ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আলতাব হোসেন বলেন, তাদের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। সকল প্রকল্পের কাজ ঠিক মতো হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।একাধিক প্রকল্পে এক ব্যাক্তির নাম থাকতে পারে না সেখানে আপনার নাম কিভাবে থাকে? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, উন্নয়নের স্বার্থে অনেকগুলো প্রকল্পে তার নাম দেয়া হয়েছে।প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করে বলেন, যারা এসব বলছে তারা মিথ্যা বলছে।এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কাছে অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জিজ্ঞেস করতে বলেন। এ বিষয়ে কোন কথা বলবেন না বলে অফিস থেকে বের হয়ে যান তিনি।বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, যে প্রকল্পের কাজ হয়নি, সেই প্রকল্প সম্পর্কে নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব। কাজ না হলে প্রকল্পের টাকা ফেরতের বিধান আছে, তা আমরা আইনগতভাবে অনুসরণ করব।বাউফল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বলেন, বাউফলের মত এমন অনিয়ম কোথাও হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। কাজগুলো ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। পিআইও অফিস কোনো সঠিক তদারকি করেনি। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং আইনগত ব্যবস্থার দাবি জানাই।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com