1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
বাকেরগঞ্জে মৎস্য কর্মকর্তার উদাসীনতায় ধ্বংস হচ্ছে মৎস্য সম্পদ - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
বরিশালের হিজলায় মাদকের স্বর্গরাজ্য প্রশাসন নিরব ভূমিকায় ডিসেম্বরে মালয়েশিয়া বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ফ্লাইট চালুর প্রত্যাশা পুলিশ পরিদর্শক থেকে এএসপি হলেন ৬৭ কর্মকর্তা ৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা শিল্পকারখানায় অস্থিরতা আওয়ামী লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী হাসিনার জন্য ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বরিশালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা, পাইপ জব্দ মির্জাগঞ্জে জুতা ও প্রবেশপত্রের সূত্র পাওয়া গেল স্কুলছাত্রীর মরদেহ দুমকিতে কদমতলা কলেজে বহিরাগতদের হামলা, আহত দুই শিক্ষার্থী বরিশাল জেলা জামায়াতের নতুন আমির ডক্টর মাহফুজুর রহমান

বাকেরগঞ্জে মৎস্য কর্মকর্তার উদাসীনতায় ধ্বংস হচ্ছে মৎস্য সম্পদ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৪০ বার পড়েছেন
বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি::বাকেরগঞ্জ মৎস্য অফিস অনিয়ম, দূর্ণীতি ও সেচ্ছাচারিতার আতুর ঘরে পরিনত হয়েছে। কোন প্রকার নিয়ম মানছেন না তিনি। বাকেরগঞ্জে যোগদানের পর থেকেই দূর্ণীতির একক আধিপত্তরে গড়ে উঠেছেন এই মৎস্য কর্মকর্তা। তারেই সেচ্ছাচারিতায় ধ্বংশ হচ্ছে মৎস্য সম্পদ। জানা যায়, মৎস্য কর্মকর্তার বাড়ি বাকেরগঞ্জ উপজেলায় হওয়ায় তারই প্রভাবে এমন অনিয়ম দূর্ণীতি করছেন। সম্প্রতি মা ইলিশ প্রজনন কালীন সময়ে তারই গাফলতিতে এবং কিছু লোকের সাথে আতাত করে সুক্ষভাবে অভিযান পরিচালনা করেন নাই। সেই সুজুগে জেলেরা নিয়মিত ভাবে মা ইলিশ শিক্ষার করেন। এছাড়াও দেশিয় মাছ, ছোট মাছ রক্ষায় নেই তেমন কোন কার্যক্রম। নিশিদ্ধ শত দুয়ারি জাল বা চায়না জালের বিরুদ্ধে কোন অভিযান পরিচালনা হচ্ছে না। চড় গড়া ব্যবহার করে নদী খাল থেকে ছোট মাছ হরহামেশে ধরছে জেলেরা। যা উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে কাছের তুলাতলা নদীতে গেলেই এর বাস্তব চিত্র সকলের চোখে পরবে।
বর্তমানে বাজারে ঝাটকার বিক্রিতে নেই মৎস্য অফিসের নুন্যতম অভিযান। উপজেলার প্রত্যেকটা বাজারে প্রতিদিন বিক্রি হচ্ছে মনকে মন ইলিশ ঝাটকা। এমনকি বাজারে ঝাটকা দেখে অফিসারকে তার মোবাইল ফোনে কল করলেও তিনি ফোন রিবিভ করেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে। পাইকারি বাজারে ঝাটকা বিক্রি হয় ভোর হওয়ার সাথে সাথে। এছাড়া এই ঝাটকার বড়ো চালান হয়ে সন্ধ্যার পরে। এই সময়ে মৎস্য কর্মকর্তার কোন অভিযান বা অফিসের কাজ করেন না বলেও জানান।জেলেদের বিকল্পভাবে সাবলম্বি করতে বকনা বাছুর প্রদান প্রকল্পে রয়েছে পুকুর চুরির ঘটনা। যা ইতমধ্যে উপজেলায় ব্যপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রকল্পের অনিয়মের তথ্য সংবাদকর্মীদের হাতে আসলে রুপ পাল্টে যায় মৎস্য কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের। বিষয়টি জানতে চাইলেই বেকে বসেন মৎস্য কর্মকর্তা। আইনের বাহিরে তথ্য দিবেননা বলে জানান। আইনের আওতায় তথ্য চাইতে বলেন। নিয়ম মেনে এক সংবাদকর্মী তথ্য আইন মেনে গত ২৮ অক্টোবর আবেদন করলেও এখন পর্য্ন্ত কোন তথ্য দিচ্ছেন না কর্মকর্তা।তথ্য প্রদানের বিষয়ে কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সময় হলে আমি আবেদনকারিকে ফোন দিয়ে তথ্য দিব। তবে কবে বা কতোদিন পরে তথ্য প্রদান করবে তার বিষয়ে সুনির্দীষ্ট কোন কথা বলেন নাই।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com