
বানারীপাড়া প্রতিনিধি::বরিশালের বানারীপাড়ায় ২৫ ডিসেম্বর সকাল ৭ ঘটিকায় বানারীপাড়া ডাকবাংলো মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের জায়গা দখলের সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আওয়ামী লীগের অর্থ যোগান দাতা ও পরিকল্পনাকারী তোফাজ্জল সারেং এর শ্যালক মোঃইকবাল পিতাঃমৃত শরিফ আলী খান মোঃ রানা পিতাঃমৃত মহিউদ্দিন খান, উভয়ের সাং রাজ্জাকপুর শ্রী বিধান সাধক পিতাঃসুরেন্দ্র নাথ সাধক,সাং গাভা বানারীপাড়া, বরিশাল সহ ১০-১২ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসীর সাথে কথা কাটাকাটি শুরু হয় সাংবাদিক সোহেল মাহবুবের সাথে। তারা তাকে ছবি তুলতে নিষেধ করে ও মোবাইল সিনিয়ার চেষ্টা করে।এ সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রানা পিতা মৃতঃ মহিউদ্দিন, কাঠের চেরা দিয়ে তার মাথায় আঘাতের করলে হাত দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করে এতে বাম হাতের আাঙ্গুল ভেঙে রক্তাক্ত জখম হয়।এদিকে সন্ত্রাসীরা দাবি করে তারা বিএনপিকে ম্যানেজ করেই জায়গায় আসছে। কিন্তুু স্থানীয়রা দাবি জানান পৌর বিএনপি সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস ছালাম ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান জুয়েল ২৫ শে ডিসেম্বর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সকল নেতাকর্মী ঢাকা অবস্থানকালীন এলাকায় আওয়ামীলীগ সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা নাশকতা করতে পারে এ কারণে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। এবং এলাকাবাসীকে পাহারা দেওয়ার কথা জনিয়েছিল। এলাকাবাসী বলেন অভিনব কৌশলে জোড়পূর্বক অনুপ কুমার গুহের চারশত বছরের পৈত্রিক জমি বিগত নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল করার জন্য ক্রয়সূত্রে মালিকানা দাবিদার মোঃতোফাজ্জেল ততকালীন এম,পি শাহ আলম তালুকদারকে দিয়ে দেন। এই সূত্রে আওয়ামী লীগ শাসন আমলে ম্যূরাল সংলগ্ন প্রায় ১৫ টি দোকান ঘর এক রাতেই তৈরি করে দখলে নেয় মোঃতোফাজ্জেল।৫ আগষ্টের গণঅভ্যুত্থানের পর সুযোগ বুঝে ম্যুরাল ভেঙ্গে জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে আওয়ামীলীগের অর্থযোগান দাতা তৈলের জাহাজের সারেং মোঃতোফাজ্জেলের বিরুদ্ধে। এছাড়াও নিজে জায়গার উপরে সংতর্কীকরন নোটিশে জায়গায় মামলা চলমান দাবি করে অন্যত্র থেক রাতের আঁধারে ঘরের ফ্রেম তৈরি করে এনে জায়গায় দোকান ঘর নির্মান কাজ শুরু করে।পরবর্তীতে বানারীপাড়া থানায় যোগাযোগ করা হলে। জায়গা নিয়ে মামলার বাদি, ও বিবাদী কে জায়গায় দলিল পত্র নিয়ে থানায় ডাকেন।বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মজিবুর রহমান জায়গায় দোকান নির্মাণ স্থগিত করে এবং তার নেতৃত্বে সাব ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ ইসাহাক সকল মালপত্র ক্রপ করে থানায় নিয়ে যায়।বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মজিবুর রহমানের দ্রুত ও সাহসিক পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে পৌরবাসী।