1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
চরফ্যাশনে নামাজে যাওয়ার পথে থানা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে আহত - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
বরিশালের হিজলায় মাদকের স্বর্গরাজ্য প্রশাসন নিরব ভূমিকায় ডিসেম্বরে মালয়েশিয়া বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ফ্লাইট চালুর প্রত্যাশা পুলিশ পরিদর্শক থেকে এএসপি হলেন ৬৭ কর্মকর্তা ৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা শিল্পকারখানায় অস্থিরতা আওয়ামী লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী হাসিনার জন্য ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বরিশালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা, পাইপ জব্দ মির্জাগঞ্জে জুতা ও প্রবেশপত্রের সূত্র পাওয়া গেল স্কুলছাত্রীর মরদেহ দুমকিতে কদমতলা কলেজে বহিরাগতদের হামলা, আহত দুই শিক্ষার্থী বরিশাল জেলা জামায়াতের নতুন আমির ডক্টর মাহফুজুর রহমান

চরফ্যাশনে নামাজে যাওয়ার পথে থানা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে আহত

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৬৭ বার পড়েছেন
ভোলা প্রতিনিধি:: ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চরআইচা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রভাষক রেজাউল করিম খন্দকারকে নামাজ আদায় করতে যাওয়ার পথে তিনি ও তার সাথে থাকা স্থানীয় মাদরাসা শিক্ষক আবু তাহেরকে কুপিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করেন। রেজাউল করিমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চরফ্যাশন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঢাকায় প্রেরণ করেছে।রোববার (১৭ আগস্ট) দক্ষিণ আইচা বাজারের জামে মসজিদে জোহর নামাজ আদায় করতে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে।আহত আবু তাহের জানান, তিনি এবং রেজাউল করিম খন্দকার স্থানীয় কচ্ছফিয়া বাজারে তাদের কাজ শেষ করে জোহর নামাজ আদায় করার জন্য চরআইছা বাজারের বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদে প্রবেশ করছিলেন। এ সময় স্থানীয় আমিন মিয়ার ছেলে যুবদল নেতা আবুল হোসেনের নেতৃত্বে চার-পাঁচজন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাদেরকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। পরে তাদের ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাদেরকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে প্রেরণ করে।স্থানীয়রা জানান, ৫ আগস্টের পর চরফ্যাশনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলম ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন গ্রুপের বিভক্তি চলমান থাকায় বিভিন্ন সময় হামলা মামলার ঘটনা ঘটে।চর আইছা থানার সাবেক সভাপতি প্রভাষক রেজাউল করিম খন্দকার নয়ন গ্রুপের লোক হওয়ায় এ হামলার সাথে আলম গ্রুপের লোকজন জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে।তবে নাজিমুদ্দিন আলম গ্রুপের সাবেক সভাপতি ফারুক মিয়া জানান, এ হামলার সাথে রাজনৈতিক কোনো সম্পৃক্ততা নেই। প্রতিপক্ষের সাথে জমি-জমা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিবাদ থাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।এ হামালার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ আইছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)। তবে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন খন্দকার রেজাউল করিমের পরিবারের সদস্যরা।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com