1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
বরগুনায় চাকরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎ*সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগ - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
বরিশালের হিজলায় মাদকের স্বর্গরাজ্য প্রশাসন নিরব ভূমিকায় ডিসেম্বরে মালয়েশিয়া বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ফ্লাইট চালুর প্রত্যাশা পুলিশ পরিদর্শক থেকে এএসপি হলেন ৬৭ কর্মকর্তা ৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা শিল্পকারখানায় অস্থিরতা আওয়ামী লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী হাসিনার জন্য ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বরিশালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা, পাইপ জব্দ মির্জাগঞ্জে জুতা ও প্রবেশপত্রের সূত্র পাওয়া গেল স্কুলছাত্রীর মরদেহ দুমকিতে কদমতলা কলেজে বহিরাগতদের হামলা, আহত দুই শিক্ষার্থী বরিশাল জেলা জামায়াতের নতুন আমির ডক্টর মাহফুজুর রহমান

বরগুনায় চাকরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎ*সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ৪০০ বার পড়েছেন

মো: ইলিয়াস, বরগুনা::বরগুনার আমতলীতে আলাউদ্দিন শিকদার নামের এক মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা আত্মসাৎ, নিয়োগ বাণিজ্যসহ একাধিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী সমর্থক হিসেবে পরিচিত এই সুপার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা চালিয়ে আসছেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো ধরনের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।অভিযুক্ত আলাউদ্দিন শিকদার আমতলীর উত্তর কালামপুর (কালিবাড়ি) নূরানী বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার এবং উপজেলা ওলামা লীগের সভাপতি।সরেজমিন অনুসন্ধানে বরিশালের কথার হাতে আসে ২০০৯ সালের একটি নিয়োগপত্র। ওই নিয়োগপত্রের সূত্র ধরে নিয়োগ বাণিজ্যের প্রমাণ মেলে। ২০০৯ সালের ১ ডিসেম্বরের সেই নিয়োগপত্রে মোহাম্মদ আবদুল হক নামের এক প্রার্থীকে “টেকনিক্যাল শপ অ্যাসিস্ট্যান্ট” পদে নিয়োগের কথা উল্লেখ থাকলেও পরে জানা যায়, মাদ্রাসাটিতে কোনো কারিগরি শাখাই নেই।আবদুল হক বরিশালের কথাকে জানান, তিনি ৫ লাখ টাকা দিয়ে নিয়োগপত্র পান এবং যোগদানও করেন। কিন্তু পরে বুঝতে পারেন নিয়োগপত্রটি ভুয়া। আজও তিনি টাকা ফেরত পাননি।হাফিজুর রহমান নামের আরেক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, ২০১৯ সালে সুপার আলাউদ্দিন তার কাছ থেকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা নিয়ে নৈশপ্রহরী পদে নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেন। পরে অন্য একজনকে নিয়োগ দিয়ে তালবাহানার মাধ্যমে টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান। শালিশ বৈঠকের পর আংশিক টাকা ফেরত দিলেও আড়াই লাখ টাকা এখনো ফেরত পাননি বলে দাবি করেন হাফিজুর।স্থানীয় বাসিন্দা তাজেম মোল্লা অভিযোগ করেন, চাকরি দেওয়ার নাম করে সুপার বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা নেন। দীর্ঘ সময় মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থাকেন তিনি।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com