1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
বরিশালে সারের সংকট দেখিয়ে বাড়তি মূল্য আদায়ের অভিযোগ - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| রবিবার| রাত ১০:৩৭|
শিরোনামঃ
আদম ও হাওয়াকে আল্লাহর দেওয়া নিশিদ্ধ ফল খাওয়াইয়ে পোশাষ খুলে শয়তান আনন্দ পেয়েছে সেই দলে বর্তমান জামানা খুলনায় নামাজের স*ম*য় মসজিদে ঢুকে গুলি, দুই মুসল্লি গুলিবিদ্ধ শিক্ষকদের অবসর সুবিধা দিতে শি*ক্ষা*ম*ন্ত্রী*র নতুন উদ্যোগ দখল আর অপরিকল্পিত নগরায়ণে হারিয়ে যাচ্ছে বরিশাল বহু খাল র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার বাকেরগঞ্জে সাইদুল হত্যার প্রধান আসামী মিলন গৌরনদীতে দুপুরে হত্যার হুমকি, বিকেলে রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জ*খ*ম পাথরঘাটায় রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন ঘরে, স*কা*লে রাস্তার পশে মি*ল*ল মরদেহ মির্জাগঞ্জে স*ন্ত্রা*সী হামলায় গর্ভপাত, হাসপাতালে কা*ত*রা*চ্ছে মাহিনুর বাজেটে বরিশালে বাণিজ্যিক উন্নয়নের দাবি আট বিভাগেই বৃষ্টির আভাস

বরিশালে সারের সংকট দেখিয়ে বাড়তি মূল্য আদায়ের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৮৬ বার পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক::বাংলাদেশে বর্তমানে কৃষির রবি (শীতকালীন) মৌসুম চলমান, যা কার্তিক মাস থেকে শুরু হয়ে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। এ মৌসুমে বোরো ধান, গম, ভুট্টা, সরিষা ও বিভিন্ন শাকসবজি চাষ করা হয়। চলতি মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে বরিশালের উপজেলায়। এতে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।
কৃষকদের অভিযোগ, বাজারে পর্যাপ্ত সার থাকা সত্ত্বেও সংকট দেখিয়ে বস্তাপ্রতি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত মূল্য উপেক্ষা করে সার বিক্রি করায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তারা। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানে সরকারি মূল্য তালিকা ঝোলানো থাকলেও বাস্তবে সেই দাম অনুসরণ করা হচ্ছে না। লক্ষ্য করা গেছে, বরিশালের অধিকাংশ অসাধু ব্যবসায়ীরা মুল্য তালিকা ঝুলায়না ।বিশেষ করে ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সারের সরকার নির্ধারিত মূল্য ১ হাজার ৫০ টাকা হলেও ব্যবসায়ীরা তা বিক্রি করছেন ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকায়। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।
উপজেলার কুন্দিয়াল পাড়া গ্রামের কৃষক সবুজ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, চলতি মৌসুমে আমি গম, ভুট্টা ও মটর মিলিয়ে সাড়ে ছয় বিঘা জমিতে চাষাবাদ করেছি। কয়েকদিন আগে সার কিনতে গেলে ডিএপি সার প্রতি কেজি ৩৪ টাকায় নিতে হয়েছে। বেশি নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে দোকানদার বলেন, আমার বেশি দামে কেনা, চাইলে নেন, না হলে রেখে যান। বাধ্য হয়ে বেশি দামেই সার কিনতে হয়েছে। উপজেলার আরেক কৃষক সাউন আলী বলেন, বাজারে সার থাকলেও সরকার নির্ধারিত দামে দেওয়া হচ্ছে না। দোকানে মূল্য তালিকা থাকলেও দাম আদায় করা হচ্ছে নিজেদের মতো করে। প্রতিবাদ করলে বলা হয়, এই দামে নিতে হলে নিন, না হলে সার নেই। কৃষকদের আশঙ্কা, অতিরিক্ত দামে সার কিনতে হলে চলতি মৌসুমে উৎপাদন ব্যয় দ্বিগুণ হয়ে যেতে পারে। এতে অনেক কৃষক জমিতে চাষের পরিমাণ কমানোর কথা ভাবছেন।এ বিষয়ে বরিশাল সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, সার সরবরাহে কোনো সংকট নেই। আমরা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করছি।কেউ যদি সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে সার বিক্রি করে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষকদের অভিযোগ পেলে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

 

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com