নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. শামিম প্রায় পাঁচ বছর আগেও ফেরি করে চটপটি বিক্রি করতেন। তার আগে বাদাম বিক্রি করতেন। ভেজাল হলুদ ও মরিচের ব্যবসার মাধ্যমে অল্প সময়েই বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ৪২ লাখ টাকা দিয়ে হাটখোলা এলাকায় দুটি দোকান কিনেছেন তিনি। এছাড়া পলাশপুরের নুর নগর ও পিডিবি এলাকায় দুটি বহুতল ভবন নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছেন এবং বিভিন্ন এলাকায় জমি কিনেছেন।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, পচা ও পোকাধরা চাল, কৃত্রিম রং, ধানের তুষ, নারিকেলের শুকনো ছোবা ও ক্যামিকেল মিশ্রিত ভেজাল মরিচের গুড়া মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসব উপাদান দীর্ঘদিন গ্রহণ করলে লিভার, কিডনি ও পাকস্থলীর জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ে। কেমিক্যাল রং ক্যান্সারের ঝুঁকিও তৈরি করে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ভেজাল খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাত করা গুরুতর অপরাধ। অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ভেজাল খাদ্য বিক্রির দায়ে জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বরিশাল জেলার সহকারী পরিচালক সুমি রাণী মিত্র বলেন- আমরা অভিযান করবো। প্রমাণ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এই অবৈধ কারখানা বন্ধ করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, রমজানকে সামনে রেখে এ ধরনের খাদ্য প্রতারণা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে উঠতে পারে।







