
লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি::ভোলার লালমোহনে জমি বিরোধের জের ধরে ৫ জনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় পৌরসভা ৪ নং ওয়ার্ডের খলিফা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মো. আবদুল হালিম অভিযোগ করে বলেন, আতাউল, তারেক, হাসান, আল আমিন, মাকসুদ উল্লাহ গংদের সাথে আমাদের জায়গা জমিসংক্রান্ত দীর্ঘ দিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছে। আমরা ঘর করতে গেলে তারা আমাদের বিরুদ্ধে এমপি-০৩/২৬ (লালঃ), ধারা- ১৪৪/১৪৫ ফৌ. কাঃ বিঃ মামলা করেন। এরপর আমরা আমাদের ঘরের কাজ বন্ধ করে দেব। আজ দীর্ঘ ৬ মাস আমরা অনেক কষ্ট করে মানবেতর জীবন যাপন করছি। শীতের মধ্যেও আমরা ঘরের বাইরে অবস্থা করতে হয়েছে। প্রচণ্ড শীতের মধ্যে আগুন পোহায়ে রাত পার করতে হয়। এরই মধ্যে আবার আরও একটি মামলা দেন, যার নং মোকাম ভোলার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়ের আদালতের এম.পি. মামলা নং ০৩/২০২৬ (লাল), মামলায় আমরা রায় পেয়ে পুনরায় ঘর উত্তোলন করতে গেলে, তাদের সঙ্গে আমাদের কথার কাটাকাটি হয়। তারপর আমরা কাজ বন্ধ করে যে যার মতো চলে যাই। এরপর আমার খালাতো ভাই হেলালের মতো ও আমার বৃদ্ধা খালা গোসল করতে গেলে তাদেরকে একা পেয়ে মাকসুদ উল্লাহ গংরা এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে এবং তাদের পরিহিত কাপড় চোপড় ছিঁড়ে ফেলে; তাদের ডাক চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করতে গেলে সীমা, বেল্লাল, হেলাল এদেরকেও পিটিয়ে ও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন। এরপর এলাকাবাসী তাদেরকে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করান। তাদের মধ্যে ৩ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় চলে যায়। ২ জনের অবস্থা খারাপ দেখে তাদেরকে ভর্তি করান।ভুক্তভোগী মীম বলেন, তাদের সাথে আমাদের দীর্ঘ দিন যাবৎ জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলেছে। মামলায় আমরা রায় পেয়েছি, এরপর ও তারা জোরপূর্বক জমি দখলের জন্য হয়রানি করছেন। আমরা প্রশাসনের দ্রুত হস্ত কামনা ও ন্যায় বিচার দাবি জানাচ্ছি।
খবর পেয়েছি অভিযুক্ত মাকসুদ উল্লাহ গংরাও হাসপাতালে চিকিৎসা জন্য গিয়েছেন। হাসপাতালে গিয়ে তাদেরকে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।