1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
মির্জাগঞ্জে বিরোধ মেটাতে গিয়ে শিশু-নারীদের পেটালো বিএনপি নেতা - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ

মির্জাগঞ্জে বিরোধ মেটাতে গিয়ে শিশু-নারীদের পেটালো বিএনপি নেতা

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৯৯ বার পড়েছেন
পটুয়াখালী প্রতিনিধি:: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় পারিবারিক বিরোধ মেটাতে গিয়ে একই পরিবারের দুই নারী, এক শিশুসহ চারজনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতা ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় তাঁরা থানায় অভিযোগ করতে গেলে তাঁদের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।অভিযুক্ত মজিবুর রহমান উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও কাঁকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য। অন্যদিকে আহত ব্যক্তিরা হলেন সমীর হাওলাদার (৫২), তাঁর স্ত্রী সবিতা রানী (৪২), তাঁদের মেয়ে ঝিলিক (২২) হাওলাদার এবং ঝিলিকের ছেলে পিয়াস (৪)।স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের ভাষ্য অনুযায়ী, উপজেলার কাঁকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের গাবুয়া গ্রামে দেবোত্তর (মন্দির) জমি নিয়ে দুই ভাই শংকর হাওলাদার ও সমীর হাওলাদারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। গত শুক্রবার দুপুরে শংকরের পক্ষ নিয়ে ওই বাড়িতে যান মজিবুর রহমান তাঁর সহযোগীরা। সেখানে সমীরের পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়।ওই সময় মারধরের শিকার হন সমীরের মেয়ে ঝিলিক হাওলাদার (২২)। তিনি বলেন, তাঁদের বসতঘরের সামনে একটি চাম্বলগাছ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় সেটির ডাল কাটতে উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় মজিবুর রহমান, তাঁর ভাই সিদ্দিকুর রহমান, ওহাব মিয়াসহ কয়েকজনকে নিয়ে তাঁদের বাড়িতে আসেন তাঁর চাচা শংকর হাওলাদার। পরে গাছের ডাল কাটতে বাধা দিয়ে গালমন্দ করা হয় এবং একপর্যায়ে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়।ঝিলিক অভিযোগ করেন, তাঁকে গাছের ডাল দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়। এ সময় তাঁর চার বছরের ছেলে পিয়াস এগিয়ে এলে তাকেও লাথি মারা হয়।সমীর হাওলাদার বলেন, প্রায় ৪০ বছর ধরে তাঁদের পরিবার মন্দিরসংলগ্ন জমিতে বসবাস করছে। পারিবারিক বিরোধের জেরে তাঁর ভাই শংকর হাওলাদারের সঙ্গে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা মজিবুর রহমানের কাছে অভিযোগ করা হলে তিনি এসে তাঁদের মারধর করেন। এ সময় মজিবুর একপক্ষের কথা শুনে সমীর, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও নাতিকে মারধর করেন।সমীর হাওলাদার আরও অভিযোগ করেন, অতীতে মন্দির সংস্কারের কথা বলে মজিবুর রহমান তাঁর কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছিলেন, কিন্তু কাজটি করেননি। সেই ক্ষোভ থেকেও হামলার ঘটনা ঘটতে পারে।শংকর হাওলাদার ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপনে থাকায় তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মজিবুর রহমান। তিনি বলেন, দুই পক্ষের বিরোধ মীমাংসা করতে তাঁকে ডাকা হয়েছিল। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন, দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এতে উভয় পক্ষের লোকজন আহত হয়েছেন। তিনি বা তাঁর সহযোগীরা কাউকে মারধর করেননি।মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সালাম ভুক্তভোগীদের থানায় ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে বিষয়টি জেনে ভুক্তভোগীদের চিকিৎসা নিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com