1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
ইজারাদারদের সুধীর বাবুরদৌরাত্ম্য খেয়া ভাড়া চার টাকা আদায় ১৫ - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
বরিশালের হিজলায় মাদকের স্বর্গরাজ্য প্রশাসন নিরব ভূমিকায় ডিসেম্বরে মালয়েশিয়া বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ফ্লাইট চালুর প্রত্যাশা পুলিশ পরিদর্শক থেকে এএসপি হলেন ৬৭ কর্মকর্তা ৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা শিল্পকারখানায় অস্থিরতা আওয়ামী লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী হাসিনার জন্য ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বরিশালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা, পাইপ জব্দ মির্জাগঞ্জে জুতা ও প্রবেশপত্রের সূত্র পাওয়া গেল স্কুলছাত্রীর মরদেহ দুমকিতে কদমতলা কলেজে বহিরাগতদের হামলা, আহত দুই শিক্ষার্থী বরিশাল জেলা জামায়াতের নতুন আমির ডক্টর মাহফুজুর রহমান

ইজারাদারদের সুধীর বাবুরদৌরাত্ম্য খেয়া ভাড়া চার টাকা আদায় ১৫

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৪ বার পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক::বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাটাদিয়া এবং পার্শ্ববর্তী বগা খেয়াঘাটে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি আদায় করা হচ্ছে। ভাড়া চার টাকা হলেও জনসাধারণের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। গত সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে খেয়াঘাট ইজারা নিয়ে নৈরাজ্য চালান সুধীর বাবু ও তার লোকজন। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরও তিনি বিএনপি নামধারী কিছু লোকজন দিয়ে ঘাট পরিচালনা করছেন। জানা যায়, কলসকাঠি ইউনিয়নের সুধীর বাবু উপজেলার সব ঘাট ও ফেরির ইজারা নিয়ে আবার বিক্রি করে দেন স্থানীয়দের কাছে। জেলা পরিষদ থেকে ইজারা নিয়ে বাড়তি দামে ঘাট বিক্রি করেন তিনি। এভাবে চলছে বছরের পর বছর। তিনি কাটাদিয়া খেয়াঘাট ইজারা নিয়ে এক বছরের চুক্তিতে বিক্রি করেন এলাকার হালিম, কালাম, খোকন, কবির, সোহেল হাবিব কাজিসহ সাতজনের কাছে। ইজারা নেওয়ার পর থেকেই খেয়াঘাটে চলছে নৈরাজ্য। সরেজমিন দেখা যায়, বরিশাল নগরী পূর্বাঞ্চলে কাটাদিয়া খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পারাপার হন। এর জন্য রয়েছে একটিমাত্র ট্রলার। পার হতে জনপ্রতি চার টাকা আর মোটরসাইকেলের জন্য বিশ টাকা নেওয়ার কথা। ইজারাদাররা জনপ্রতি পনেরো থেকে বিশ টাকা করে নিচ্ছেন। আর মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য নিচ্ছেন ষাট টাকা। রাত ৮টার পর কেউ পারাপার হলে তাকে পঞ্চাশ থেকে একশ টাকা গুনতে হয়। বাকেরগঞ্জ উপজেলার একাধিক বাসিন্দা জানান, একটি মাত্র ট্রলারে খেয়ালখুশিমতো লোক পারাপার করা হয়। ট্রলারের এপার থেকে ওপারে যাত্রী নিয়ে আসা-যাওয়া করতে কমপক্ষে ৩০ মিনিট সময় লাগে। তাই নদীর দুই পারে সব সময় যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হয় কখন ট্রলার আসবে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে সুধীর বাবুর ফোন নম্বরে বারবার কল দেওয়া হয়েছে। কিন্তু রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com