1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
বরিশাল চরবাড়িয়া ঘুষখোর হালিমের দেওয়া ছারপত্রই একমাত্র সম্ভল রাতের আঁধারে মাটি কেটে ইটভাটায় - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ

বরিশাল চরবাড়িয়া ঘুষখোর হালিমের দেওয়া ছারপত্রই একমাত্র সম্ভল রাতের আঁধারে মাটি কেটে ইটভাটায়

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ২৭৬ বার পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক::বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের আমীরগঞ্জ বাজার সংলগ্ন বাটনা গ্রামে পিপিলিকার মত গড়ে উঠা ইসলাম ব্রিকস ফিল্ড ও হাসান ব্রিকস । সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রাতের আঁধারে মাটি কেটে ইটভাটায় হয়েছে। প্রোপ্রাইটর: রাশিদা ইসলাম মিলন বলেন, আমিই নদীর পার এবং পাশ্ববর্তি খাল কেটে মাটি ইটভাটায় নিচ্ছি ।প্রশাসন কিছু বলেনা এমন প্রশ্নর জবাবে তিনি বলেন, প্রশাসনকে ম্যানেজ করে রেখেছি শুরু থেকেই আপনারা লিখলে কিছুই হবেনা ।গতসপ্তাতে পাশ্ববর্তি খালের মাটি কেটে ইটভাটায় তোলা হয়েছে ।রাতে চরবাড়িয়া ও সায়েস্থাবাদ স্থানীয় নদের পাড় কেটে ইটভাটায় নেওয়া হয় ।পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কর্মরত দায়ীত্বে থাকা সাইফুজ্জামান বলেন, হালিম স্যার তাদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়া ছারপত্র দিয়া গেছে ।প্রতিদিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে অভিযুক্তরা কয়েকটি এক্সকেভেটর ও ট্রাক এবং ট্রলার যোগে নিয়ে ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি কাটেন অহরহ। বিষয়টি টের পেয়ে ভুক্তভোগী পরিবার পুলিশকে খবর দেয়।কিন্তু কোনো প্রকার পদক্ষেপ নেওয়া হয়না । গতবছর স্থানীয়রা নদী পারের মাটি ও চর কেটে নেওয়ার সময় ঘটনাস্থল থেকে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত পল্টন ও এক্সকেভেটরটি জব্দ করা হয়েছে।ভুক্তভোগী মনঠু সরদার অভিযোগ করেন, বাটনা এলাকার মৌজায় দক্ষিণ পাশে তার পৈতৃক সম্পত্তি থেকে রাতের আঁধারে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাটনা মৌজাসহ চরবাড়িয়া ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ফসলি জমি ও বসতভিটার উপরিভাগের মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে বসতভিটা ও ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।তাদের দাবি, অবৈধভাবে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতরা প্রভাবশালী হওয়ায় অনেকেই ভয়ে থানায় অভিযোগ করতে সাহস পান না।বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি কাটা কৃষি উৎপাদন ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। অবৈধভাবে মাটি কাটার বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।ব্রিকস ইটভাটায় করাতকল বসানো হয়েছে। প্রতিদিন শত শত মণ কাঠ কেটে ফেলা হচ্ছে চুল্লিতে ।ইটের ভাটায় কাঠ পোড়ানো যাবে না, সরকারের এমন কঠোর আইন থাকলেও বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া বাটনা গ্রামে ইসলাম ব্রিকস ফির্ড ও হাসান ব্রিকস ফিল্ড সরকারী নিয়মকে তোয়াক্কা করা হচ্ছেনা কর্তৃপক্ষ কাঠ পোড়াতে ভাটার মধ্যে করাতকল বসিয়েছে। প্রতিদিন শত শত মণ কাঠ এই করাতকলে চেরাই করে ভাটায় ব্যবহার করছেন। এই অবস্থা কয়েক বছর চললেও বিষয়টি নিয়ে কারও কোনো পদক্ষেপ নেই।এসব ইট পোড়াতে তাদের কাঠ ব্যবহার করতে হয় প্রায় এক লাখ মণ। যা কাঠুরে দিয়ে বা দূর থেকে চেরাই করে ভাটায় আনা কিছুটা কষ্টকর। তাই তারা ভাটার মধ্যেই করাতকল বসিয়েছেন। বিষয়টি পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা। তবে তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।নানা প্রজাতির বড়-ছোট গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। ভাটার উত্তর পাশে করাতকলের চারপাশে কাঠের স্তূপ। এই করাতকলে প্রতিদিন কয়েক শ মণ কাঠ চেরাই করা হচ্ছে আর তা ফেলা হচ্ছে ভাটার চুলায়। জ্বালানি হিসেবে কাঠই তাদের একমাত্র ভরসা বলে জানান স্থানীয় ব্যক্তিরা।এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তর অঞ্চলের উপপরিচালক মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ভাটা তৈরির আইন আছে। ভাটায় জ্বালানি হিসেবে কাঠ পোড়ানো যাবে না। আর ভাটার মধ্যে করাতকল বসানো খুবই অপরাধ।পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কমিটির বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি বলেন, ওই ভাটার মালিক যে দুঃসাহস দেখিয়েছেন, তা সবাইকে ভাবিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে আইনের প্রতি তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর বিষয়টি। তিনি অবিলম্বে ভাটাটি বন্ধসহ মালিকপক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, জেলার অন্য ভাটাগুলোতেও কয়লা ব্যবহারের কথা বলে কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। সেগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি তিনি দাবি জানান।

 

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com