1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের মামলায় ২ নং আসামি গ্রেপ্তার–পরে মুক্তি - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
বরিশালের হিজলায় মাদকের স্বর্গরাজ্য প্রশাসন নিরব ভূমিকায় ডিসেম্বরে মালয়েশিয়া বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ফ্লাইট চালুর প্রত্যাশা পুলিশ পরিদর্শক থেকে এএসপি হলেন ৬৭ কর্মকর্তা ৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা শিল্পকারখানায় অস্থিরতা আওয়ামী লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী হাসিনার জন্য ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বরিশালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা, পাইপ জব্দ মির্জাগঞ্জে জুতা ও প্রবেশপত্রের সূত্র পাওয়া গেল স্কুলছাত্রীর মরদেহ দুমকিতে কদমতলা কলেজে বহিরাগতদের হামলা, আহত দুই শিক্ষার্থী বরিশাল জেলা জামায়াতের নতুন আমির ডক্টর মাহফুজুর রহমান

বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের মামলায় ২ নং আসামি গ্রেপ্তার–পরে মুক্তি

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৯৩ বার পড়েছেন

স্টাফ রিপোর্টার::বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা এমপি মামলা নং ২৫২–এর ২ নং আসামি ফারজানা আক্তার মুন্নিকে গ্রেপ্তার করে পরে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মামলাটি করেছেন বাদী আসমা আক্তার স্বপ্না।মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে১ নং আসামি রেজাউল করিম (৩৫), পিতা ফজলুল হক,২ নং আসামি ফারজানা আক্তার মুন্নি (৩০),৩ নং আসামি মোসাম্মৎ রনি বেগম (২৮),এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কাশিপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ২ নং আসামি ফারজানা আক্তার মুন্নিকে গ্রেপ্তার করে।তবে অভিযোগ রয়েছে, গ্রেপ্তারের পর রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ আবার তাকে থানা থেকেই মুক্তি দেয়।এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুন ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন—
২ নং আসামি ফারজানা আক্তার মুন্নির সঙ্গে ছোট বাচ্চা ছিল। মানবিক কারণে তাকেই আমরা থানা থেকে মুক্তি দিয়েছি।অন্যদিকে বাদী আসমা আক্তার স্বপ্না অভিযোগ করে বলেন,৭ নং পশ্চিম শোলনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা
২ নং আসামি থানায় আসার পর আমাকে মামলা উঠিয়ে নেওয়া সহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। এমনকি (হুমকিমূলক বাক্য) আমাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ২ নং আসামির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।মামলাটি এখন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com