বেলা ১১টায় গৌরনদী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে তিন দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও তার পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে হবে। মন্ত্রী আরও বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদেরও পরিবেশ রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তথ্যমন্ত্রী গৌরনদী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে একটি বৃক্ষরোপণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বন সংরক্ষক (কোস্টাল সার্কেল, বরিশাল) ড. মোল্লা রেজাউল করিম। আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত এ বৃক্ষমেলা চলবে।পরে দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)-২০২৬ এর অর্থায়নে উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে তথ্যমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে ক্রীড়া সামগ্রী ও বৃক্ষের চারা বিতরণ করেছেন। একই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ‘নতুন কুঁড়ি’ কর্মসূচিতে জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদান করেছেন।এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, একটি সুস্থ, মেধাবী ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। বর্তমান প্রজন্মকে প্রযুক্তি শিক্ষার পাশাপাশি মাঠমুখী হতে হবে। নিয়মিত খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটায়, আর বৃক্ষরোপণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করে। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি করে গাছ লাগিয়ে তার পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্রীড়াচর্চা ও সহশিক্ষা কার্যক্রম জোরদার করার মাধ্যমে দক্ষ, সুস্থ ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তুলতে হবে।শেষে তথ্যমন্ত্রী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ক্রীড়া সামগ্রী ও বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা বিতরণ করেছেন। অনুষ্ঠানে ইউএনও ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদী হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সেকেন্দার শেখ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ সরকার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বিভাষ কুমার দাস, বন সংরক্ষক ড. মোল্লা রেজাউল করিম।







