1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
খসে পড়ছে বরিশাল নগর ভবনে ছাদের পলেস্তারা - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বৃহস্পতিবার| দুপুর ২:০১|
শিরোনামঃ
হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ মিছিল ঘরে কর্মক্ষেত্রে বাড়ছে নারীর প্রতি সহিংসতা, সমাজ নীরব কেন? বাবুগঞ্জে হাঁস নিয়ে বিরোধের জেরে নাতির লাথিতে আহত নানির মৃত্যু মাটির ওপরে দাঁড়িয়ে একমাত্র ক্ষমতা দেখাতে পারে জনগণ : তথ্যমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে চুক্তির আশাবাদ ট্রাম্পের, ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন, একদিনেই কমলো ১০ শতাংশের বেশি মোটরসাইকেল চোরচক্রের আস্তানা পুরাতন গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের দোকান ত্যাগী ও সাহসী ছাত্রদল নেতা ইসমাইল মোল্লাকে দমাতে ‘মিথ্যা মামলা’ বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী হুমায়ুন কবিরকে নিয়ে অপপ্রচার ও প্রপাগান্ডা বরখাস্ত হলেন জেলে ট্রলার থেকে চাঁদা নেওয়া পাথরঘাটার দুই নৌ-পুলিশ

খসে পড়ছে বরিশাল নগর ভবনে ছাদের পলেস্তারা

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ৮৫ বার পড়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক:: বরিশাল নগরীর ফজলুল হক এভিনিউ এলাকায় অবস্থিত চারতলা নগর ভবনটি এখন অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। খসে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা, আর দেওয়ালে দেখা দিয়েছে বড় বড় ফাটল।সর্বশেষ মঙ্গলবার দুপুরে তৃতীয় তলায় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল মোতালেবের কক্ষের ছাদ থেকে পলেস্তারার বড় একটি অংশ খসে পড়ে। সে সময় কক্ষে কেউ না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ দপ্তর নিশ্চিত করেছে। ভবনটি সংস্কার বা নতুন নির্মাণের প্রতিশ্রুতি প্রতিবার মেয়রের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আলোচনায় এলেও বাস্তবে তা যুগের পর যুগ ধরে কেবল আশ্বাসেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। ফলে চরম আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে সেবা দিচ্ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এবং সেবা নিতে আসা নগরবাসী।আশি ও নব্বইয়ের দশকের নকশা অনুযায়ী নির্মিত এ ভবনের ধারণক্ষমতা এখন সীমা ছাড়িয়ে গেছে। ৪৬ শতাংশ জমির ওপর প্রথমে ৩৫ কক্ষবিশিষ্ট দোতলা ভবনের নির্মাণ শুরু হলেও ২০০২ সালে সিটি করপোরেশনে উন্নীত হওয়ার পর নকশা বহির্ভূতভাবে একে তিন তলায় রূপান্তর করা হয়।বর্তমানে এই ভবনে কক্ষ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০টিতে। মূলত সাড়ে ৪শ জনবলের জন্য নির্মিত এ ভবনে এখন প্রায় ১ হাজার ৬শ কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন। প্রতিদিন গড়ে অন্তত সাড়ে চার হাজার মানুষের যাতায়াত রয়েছে এখানে। ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর সিটি করপোরেশনের অ্যানেক্স ভবনটি আগুনে পুড়ে যাওয়ায় সেখানকার চারটি বিভাগের কার্যক্রমও এখন এ মূল ভবনে স্থনান্তর করা হয়েছে। এতে ভবনের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়ে এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) আবুল বাসার জানান, এ জরাজীর্ণ ভবনের কোনো কাঠামোগত নকশা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এবং মূল কলামের ফাটলগুলো অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।নগরভবনের স্টাফরা জানান, সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরণ প্রথম নগর ভবন স্থানান্তরের উদ্যোগ নিলেও তার মেয়াদ শেষ হওয়ায় তা আর এগোয়নি। পরবর্তী মেয়ররা বিভিন্ন সময় সংস্কার ও নতুন পরিকল্পনার কথা বললেও বাস্তব কোনো সমাধান আসেনি।বর্তমান বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বললেন, নথুল্লাবাদে ১৫ তলা বিশিষ্ট একটি নতুন নগর ভবনের পরিকল্পনা ও নকশা করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবটি বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনে রয়েছে এবং এটি দ্রুত পাস হলে সংকটের স্থায়ী সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।৩০টি ওয়ার্ডের প্রায় ৫ লাখ মানুষের সেবার এ প্রাণকেন্দ্রটি বর্তমানে প্রত্যেকের জন্যই পলেস্তারা হয়ে উঠেছে।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com