মোহাম্মদ কামাল হোসেন, চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ওই নেতা-কর্মীদের দাবি, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে উপস্থিত হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যুর ঘটনায় নির্যাতনে জড়িত ব্যক্তিদের যথাযথ শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে তাঁরা মরদেহ বের করতে দেবেন না। তাঁদের অভিযোগ, আটকের পর শামসুজ্জামানকে মারধর করা হয়। এতে তাঁর মৃত্যু হয়।জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, শামসুজ্জামানের মৃত্যুর পর সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরান তাঁকে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তিনি তাঁকে বলেছেন, অভিযান চলাকালে জিজ্ঞাসাবাদের সময় শামসুজ্জামান শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান।


