নিজস্ব প্রতিবেদক::নলছিটির রানাপাশা ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ের জমি যারা নিজেদের নামে ছাবকবলা করে নিয়ে দোকানঘর স্টল নির্মাণ করে নিজেদের সম্পত্তি হিসেবে জাহির করে, তারা দলের জন্য কতটুকু ভ্যানগার্ড তা নলছিটির রানাপাশা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানেন এবং তা পদে পদে উপলব্ধি করে। বিএনপি কার্যালয়ের জমিদাতা খালেক মোল্লা জীবিত আছেন। তৎকালীন সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টো ও জীবিত।তৎকালীন ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হাবিব খলিফা মোতালেব মোল্লা যুবদল সভাপতি কুদ্দুস মোল্লা সাধারণ সম্পাদক শহীদ মোল্লা, সাবু সিকদার যুবদলের তৎকালীন সিনিয়র সহ সভাপতি জামাল হোসেন সহ অনেকেই রানাপাশা ইউনিয়ন বিএনপি’র অফিস আত্নসাতের রাজসাক্ষী। আমার কথা যদি কারো অবিশ্বাস হয় কিংবা প্রমাণ চান তাহলে তাদের সাথে কথা বলতে পারেন। সেদিন আমরা সবাই মিলে রানাপাশা ইউনিয়ন বিএনপির অফিসের জমি তৎকালীন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমার শ্রদ্ধেয় ও প্রয়াত আব্দুর রশিদ মাস্টার সাহেব (আল্লাহ তাকে বেহেস্ত নসিব করুন) কর্তৃক লিখে নেওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ করেছিলাম। বিএনপি কার্যালয়ের উক্ত জমিতে দোকান ঘর উত্তোলন করে জুলাই আগস্ট অভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ ঢাকা মহানগর ছাত্রদল নেতা শামীম শিকদার কে হুমকিদাতা ফারুক মোল্লা প্রথমে নিজে কাপড়ের ব্যবসা করেছেন।বর্তমানে নাসির হাওলাদার ফার্মেসি এবং মাসুদ টেলিকম দোকান হিসাবে ভাড়া দিয়েছেন। তাও এক শতাংশ জমি ছাবকবলা নিয়ে দলীয় প্রভাবে দুই শতাংশ জমি দখল করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ জমিদাতাদের । দলীয় প্রভাব বিস্তারে সবকিছু হলেও বিএনপির অফিস হয়নি,, হয়েছে ব্যক্তিগত সম্পত্তি দোকান ঘর। আজ যদি রানাপাশা ইউনিয়ন বিএনপি’র ও অঙ্গ সংগঠনের সেই নিজস্ব অফিসটি থাকতো তাহলে ৫ আগস্টে পট পরিবর্তনের পর একজন বিএনপি’র নিবেদিত প্রাণ নিরীহ কর্মী খোকন সিকদারকে দোকান থেকে নামিয়ে দিয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হতো না। তিনি এখন নিরুদ্দেশ। কোথায় আছেন কিভাবে আছেন কেউ জানেন না। উক্ত দোকানটি আওয়ামী লীগ সভাপতি হামিদ মোল্লার মালিকানাধীন ছিল। তা দখল করে বিএনপির অফিস করতে হতো না। কেউ কেউ স্থানীয় বিএনপি ছাত্রদল যুবদলের নামে বড় বড় বুলি আওরান আপনাদের সকলের রাজনৈতিক ও পারিবারিক ইতিহাস অনেকেরই জানা আছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একটি কথাই বলেছেন ব্যক্তির চেয়ে দল বড় দলের চেয়ে দেশ বড় ।