জাগ্রত নিউজ::পরকীয়ার সন্দেহে স্ত্রীকে খুন করলো স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের দিল্লিতে। অভিযুক্তের নাম শাহাব আলী (৪৭)। যিনি পেশায় একজন চিত্রকর। তার স্ত্রীর নাম ফাতিমা। শাহাব আলী দৃশ্যম সিনেমার সঙ্গে মিল রেখে স্ত্রীকে খুন করে। সে প্রমাণ করতে চেয়েছিলো যে, তার স্ত্রী পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গেছেন। তবে সিসিটিভি ফুটেজে বেরিয়ে আসে থলের বিড়াল। ভিডিও ফুটেজের সূত্র থেকে শাহাব আলী ও তার দুই সহকর্মীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি। এ বিষয়ে পুলিশের উপ-কমিশনার অঙ্কিত চৌহান বলেছেন, অভিযুক্ত তার স্ত্রীকে কীটনাশক পান করায় এবং পাঁচ দিন ধরে চেতনানাশক ওষুধ দেয়। পরে ভুক্তভোগীর মৃতদেহ একটি কবরস্থানে নিয়ে যায়। এতে তাকে সাহায্য করে শাহারুখ খান ও তানভীর নামে আরও দুইজন। তারা ফাতিমার মৃতদেহ কবর দিয়ে তার কাপড় একটি খালে ফেলে দেয়। শাহাব যাতে ধরা না পড়ে এজন্য সে ফাতিমার মোবাইল থেকে নিজের মোবাইলে একটি ম্যাসেজ পাঠায়। তাতে লেখা ছিলো সে তার প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাচ্ছে এবং তাকেই বিয়ে করবে। ফাতিমার সন্ধান না পাওয়ায় তার এক বন্ধু ১০ আগস্ট একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি সন্দেহ করেন, ফাতিমাকে অপহরণ করা হয়েছে এবং জিম্মি করা হয়েছে। শাহাব প্রথমে অপরাধের বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে স্বীকার করে যে, সে মৃতদেহটি একটি খালে ফেলে দিয়েছে। দাবি করে, ফাতিমা পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কে ছিলো এবং এর কারণে সে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। বলেছে, সে ফাতিমাকে কয়েকটি ওষুধ দেয়। যেগুলো খাওয়ার পর ফাতিমা অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর তাকে ফতেহপুর বেরিতে একটি বাড়িতে নিয়ে যায় শাহাব। যেখানে সে নির্মাণ কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলো। ওই সময় সে ফাতিমাকে কীটনাশক খাওয়ায়। ফাতিমার শরীর খারাপ হলে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতাল থেকে তাকে পুনরায় বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। ১ আগস্ট ফাতিমা মারা যান। পরের দিন রাতে শাহাব ও সঙ্গীরা গাড়িতে করে ফাতিমার মৃতদেহ কবরস্থানে নিয়ে যায়। সেখানে শাহরুখ ও তানভীরের সহযোগিতায় তাকে কবর দেয়া হয়। শাহাবের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৫ তারিখ ফাতিমার মৃতদেহ কবর থেকে তোলা হয়। শাহাব, শাহরুখ ও তানভীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য অভিযুক্তরা এখনও ধরা ছোয়ার বাইর