সোমবার বরিশাল জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বরিশাল জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয় যৌথভাবে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করে।
তথ্য সংগ্রহকারীদের উদ্দেশে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, তথ্য সংগ্রহকারীরা এ কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের সংগৃহীত তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই উপকারভোগী নির্বাচনসহ পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তাই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সততা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা মহলের প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার না করে সরকারি নির্দেশনা ও নির্ধারিত নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। একই সঙ্গে তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা এবং প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্রকৃত উপকারভোগী পরিবার চিহ্নিতকরণ, তথ্য সংগ্রহে স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করা এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে কর্মসূচির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতেই মূলত এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফরিদা সুলতানা বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের প্রাথমিক ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে মাঠপর্যায়ে সঠিক তথ্য সংগ্রহ। এ ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহকারীদের দায়িত্বশীলতার কোনো বিকল্প নেই। একটি ভুল তথ্যের কারণে প্রকৃত উপকারভোগী বাদ পড়তে পারেন, আবার অযোগ্য কেউ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। তাই প্রতিটি তথ্য যাচাই করে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ইকবাল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সহকারী পরিচালক জাবির আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে নিয়োজিত ৩৬ জন তথ্য সংগ্রহকারীর মাঝে ট্যাব বিতরণ করা হয়। আধুনিক এসব প্রযুক্তিসামগ্রীর মাধ্যমে উপকারভোগী পরিবারের তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও যাচাই-বাছাইয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।







