1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
মহাকাশে কি নিরাপদে শিশুর জন্ম দেয়া সম্ভব, যা জানালেন বিজ্ঞানীরা - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| বসন্তকাল| বুধবার| দুপুর ১:৫১|
শিরোনামঃ
সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরু‌রি বিজ্ঞ‌প্তি দূতাবাসের কুয়েতে তিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণ, নাগরিকদের দ্রুত লেবানন ছাড়ার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের বাবুগঞ্জে কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২ বরিশালে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন স্ত্রীর মামলায় গ্রেপ্তার, জামিনে বেরিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী স্বামী নিহত বরিশালে সারে ৩৭ টন জেলেদের চালসহ ট্রলার খালে তলিয়ে গেল সিরাজগঞ্জে বিএনপির দু গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ২ মেঘনায় অভিযানে বিপুল পরিমান কারেন্ট জাল জব্দ মধ্যপ্রাচ্যে বাতিল ৩৪০০ ফ্লাইট, আটকে পড়েছেন তিন লাখ যাত্রী

মহাকাশে কি নিরাপদে শিশুর জন্ম দেয়া সম্ভব, যা জানালেন বিজ্ঞানীরা

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৬৬ বার পড়েছেন

জাগ্রত খবর ডেস্ক::মঙ্গল গ্রহে অভিযানের পরিকল্পনা যত দ্রুততর হচ্ছে, ততই উঠে আসছে একের পর এক জটিল প্রশ্ন। মহাকাশে কি প্রজনন এবং নিরাপদে শিশুর জন্ম দেয়া সম্ভব? কারণ, মঙ্গলে যাত্রা করে ফিরে আসতে সময় লাগবে প্রায় ৯ মাস—যা পুরো একটি গর্ভাবস্থার সমান। ফলে গর্ভধারণ থেকে শুরু করে প্রসব পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি মহাশূন্যেই সম্পন্ন হতে পারে।সায়েন্স অ্যালার্ট’-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মাইক্রোগ্র্যাভিটির (অতি নিম্ন মাধ্যাকর্ষণ) কারণে মহাকাশে গর্ভধারণ শারীরিকভাবে কঠিন হলেও একবার ভ্রূণ গর্ভে প্রতিস্থাপিত হলে গর্ভাবস্থার অগ্রগতি সম্ভব। কিন্তু প্রসব এবং নবজাতকের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি জটিল হতে পারে ।বিজ্ঞানী অরুণ ভি হোলডেন বলছেন, মাধ্যাকর্ষণ ছাড়া দেহজ তরল ভেসে বেড়ায়, ফলে মহাকাশে প্রসব বেশ জটিল একটি প্রক্রিয়া হয়ে উঠতে পারে। শিশুর দেখভাল করাও হবে বেশ কঠিন কাজ। কারণ, পৃথিবীর মাটিতে শিশুকে কোলে নেয়া বা দুধ খাওয়ানোর মতো সহজ কাজগুলোও মহাকাশে রীতিমতো দুরূহ হয়ে উঠবে! তবে আশার কথা হচ্ছে, মায়ের গর্ভেই ভ্রূণ এমনিওটিক ফ্লুইডে ভেসে বেড়ায়—যা এক ধরনের ভারহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। এটি অনেকটা মহাকাশে নভোচারীদের ওজনহীনতার মতোই! আবার, মহাকাশে প্রসবের ক্ষেত্রে মাধ্যাকর্ষণই একমাত্র সমস্যা নয়। বায়ুমণ্ডল আমাদের পৃথিবীর চারদিকে একটি প্রতিরক্ষামূলক বলয় তৈরি করে রাখে, যাতে ক্ষতিকর মহাজাগতিক রশ্মির প্রকোপ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এ সব রশ্মি মানবদেহের সংস্পর্শে এলে কোষের গুরুতর ক্ষতি হতে পারে। বাড়তে পারে ক্যানসারের ঝুঁকিও। ফলে ক্ষতিকর মহাজাগতিক রশ্মির সংস্পর্শে এলে মা এবং ভ্রূণ—উভয়ের উপরেই স্থায়ী প্রভাব পড়তে পারে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও ভেঙে পড়তে পারে।মহাশূন্যে জন্মানো শিশু গড়াবে না, বসবে না, হাঁটতে শিখবে না স্বাভাবিক নিয়মে। কারণ, ওজনহীন পরিবেশে শিশুদের ‘পোস্টারাল রিফ্লেক্স’ বা ভারসাম্য রক্ষা শেখার প্রাকৃতিক সুযোগ থাকে না। ফলে তার মোটর স্কিল, যেমন—মাথা উঁচু করা, হামাগুড়ি দেয়া বা হাঁটার ক্ষমতা বিকাশে বিলম্ব বা জটিলতা দেখা দিতে পারে। শিশুর মস্তিষ্ক জন্মের পরও গঠিত ও পরিপক্ব হতে থাকে। কিন্তু মহাজাগতিক রশ্মির দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবে তার মনোবিকাশ, স্মৃতি, আচরণ এবং স্বাস্থ্য চিরতরে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সবকিছু মিলিয়ে বিজ্ঞানীরা বলছেন, মহাশূন্যে শিশুর জন্ম একেবারে অসম্ভব নয়, তবে বর্তমান প্রযুক্তি ও জ্ঞানের সীমাবদ্ধতায় তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও জটিল।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ১৪ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com