1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
হুমকিতে চট্টগ্রামের পারকি উপকূল ৫৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প, সুরক্ষা পাবে টানেলসহ নৌবাহিনীর স্থাপনা - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ

হুমকিতে চট্টগ্রামের পারকি উপকূল ৫৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প, সুরক্ষা পাবে টানেলসহ নৌবাহিনীর স্থাপনা

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
  • ২৬৫ বার পড়েছেন
চট্রগ্রাম প্রতিনিধি::চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলাকে কেন্দ্র করে আছে বঙ্গোপসাগরের প্রায় ১০ কিলোমিটার উপকূলীয় এলাকা। এর মধ্যে প্রায় সাত কিমি এলাকা ব্লক দ্বারা সুরক্ষিত থাকলেও পারকি বিচ-সংলগ্ন প্রায় তিন কিলোমিটার পর্যটন এলাকা অরক্ষিত। প্রলয়ংকরী ঘূর্র্ণিঝড় কিংবা প্রবল জলোচ্ছ্বাসে অরক্ষিত ওই এলাকা সাগরের তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।  জানা যায়, গত ছয় বছরে প্রাকৃতিক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে আনোয়ারা উপকূলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এর মধ্যে ছিল ২০২০ সালের আম্ফান, ২০২১ সালে ইয়াস, ২০২২ সালে সিত্রাং, ২০২৩ সালে মোখা ও হামুন, ২০২৪ সালে রেমাল নামের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়। এতে বারবার আনোয়ার উপকূলীয় বসতবাড়ি, কৃষি জমি, মৎস্য, সড়ক-বাজার ও পারকি সি-বিচ এলাকায় ব্যাপক ভাঙন ও ক্ষতির সম্মুখীন হয়। অব্যাহত ভাঙনের ফলে নষ্ট হচ্ছে সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সঙ্গে হুমকিতে আছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এই ঝুঁকি মোকাবিলা, স্থানীয় কৃষি ও পর্যটনকে চাঙা করতে প্রায় তিন কিমি এলাকাটি সংরক্ষণ করার উদ্যোগ নেয় পানি উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রাম বিভাগ। গৃহীত হয় আনোয়ারা পারকি বিচ-সংলগ্ন ২ দশমিক ৭৩ কিমি উপকূলীয় এলাকা সুরক্ষায় ‘পারকি সি-বিচ সংরক্ষণ’ শীর্ষক ৫৪৮ কোটি ১৯ লাখ ২৬ হাজার টাকার একটি প্রকল্প। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সুরক্ষা পাবে কর্ণফুলী টানেলের সংযোগ সড়ক, নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও পারকি বিচের পর্যটন এলাকা। বদলে যাবে আনোয়ারা দৃশ্যপট। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রাম বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী-১ শওকত ইবনে সাহীদ বলেন, আনোয়ারা উপকূলের তিন কিমি এলাকাটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। এই এলাকা-সংলগ্ন কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও আছে। তাই এটি রক্ষায় একটি প্রকল্প পাউবোয় জমা দেওয়া হয়েছে। বোর্ড কিছু সংশোধনী দেয়। আমরা সংশোধন করে পাঠিয়ে দেব। এরপর পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হবে। এটি অনুমোদন হলে বিস্তীর্ণ একটি উপকূলীয় এলাকা সুরক্ষিত হবে। প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পের অধীন ৩০ দশমিক ৩৮ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণ, ৩ দশমিক ৪৬০ কিমি উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ, ২ দশমিক ৭৩০ কিমি তীর সংরক্ষণ, পানি নিষ্কাশনে একটি দুই ভেন্ট রেগুলেটর স্থাপন, ২ দশমিক ৭৩০ কিমি সড়ক নির্মাণ ও ১ দশমিক ৬০০ কিমি খাল খনন করা হবে।  সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পটির মেয়াদকাল ধরা হয়েছে জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০২৭ সাল পর্যন্ত। প্রকল্পের মাধ্যমে সাইক্লোন মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি, উপকূলীয় বন্যা ব্যবস্থাপনা সুদৃঢ়করণ, লবণাক্ত পানির প্রবেশরোধ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি, স্থানীয় সাপমারা খালে মাছ ধরা ট্রলারের নিরাপদ আশ্রয়ের সুযোগ তৈরি, উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী বৃদ্ধি এবং পর্যটন সুবিধা সৃষ্টি।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com