1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুল বাড়ছে, খরচ বাড়বে ব্যবসার - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
ইসরায়েলে ক্ষমতার অঙ্কে জট, নেতানিয়াহুর সামনে চার পথ বৃহস্পতিবার যেসব এলাকায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না নবগ্রাম রোডে কলেজ ছাত্র মুন্না হত্যা চেষ্টার ঘটনায় আসামীদের পাল্টা মামলা টাকার বিনিময়ে আদালতে মিথ্যা চার্জশীট দেওয়ার অভিযোগ পিবিআই’র বিরুদ্ধে ফারাক্কার প্রভাব মোকাবিলায় পদ্মা-তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণে গুরুত্বারোপ রিজভীর যুক্তরাষ্ট্রকে শিক্ষা দিতে চায় ইরান, যুদ্ধের মূল্য চুকানোর হুঁশিয়ারি লিবিয়া থেকে বৃহস্পতিবার ফিরছেন আরও ১৭২ বাংলাদেশি বাবার মৃত্যুশোক সইতে না পেরে ছেলের মৃত্যু দুই মাস যাবৎ বেতন পাচ্ছেনা সরকারী হাসপাতালের ১৬১ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সেকশন অফিসার ফরিদ আহমেদের বিরুদ্ধে অপ-প্রচার, প্রতিবাদ! বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে টোলের নামে নৈরাজ্য !

চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুল বাড়ছে, খরচ বাড়বে ব্যবসার

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫
  • ১৭০ বার পড়েছেন
জাগ্রত প্রতিবেদন::চট্টগ্রাম বন্দরে সেবার মাশুল বাড়ানো হচ্ছে। এখন গেজেট জারির অপেক্ষা। সরকারের ভাষ্য হচ্ছে মাশুল বাড়ানো হলেও তা বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে এখনো কম। অপর দিকে ব্যবহারকারীরা বলছেন, তাঁদের প্রস্তাবের চেয়ে কয়েক গুণ মাশুল বাড়ানো হচ্ছে, যা ব্যবসার খরচ বাড়াবে।নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন আজ শুক্রবার সকালে বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল পরিদর্শনে এসে বলেন, মন্ত্রণালয় এককভাবে মাশুল বাড়ায়নি। আন্তমন্ত্রণালয় আলোচনা হয়েছে। ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বন্দরের মাশুল বাড়ানো হয়েছে। মাশুল বাড়ানোর পরও বিশ্বের অনেক বন্দরের চেয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুল এখনো অনেক কম।মাশুল কত শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে, সে প্রশ্নের জবাব দেননি নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন। তবে বন্দর কর্মকর্তারা বলেছেন, মাশুল বাড়ানোর হার গড়ে ৪০ শতাংশের কম–বেশি হতে পারে।বন্দর কর্তৃপক্ষ জাহাজ ও পণ্য খাতে সেবার জন্য মাশুল আদায় করে। একেক খাতে মাশুলের হার একেক রকম। এই মাশুল দেয় দেশি–বিদেশি জাহাজ মালিক, কনটেইনার পরিচালনাকারী ও আমদানিকারকেরা।এখন বন্দর কর্তৃপক্ষ যেসব মাশুল আদায় করছে, তার বড় অংশই ১৯৮৬ সালে নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরপর ২০০৭ ও ২০০৮ সালে পাঁচটি খাতে মাশুলের হার বাড়ানো হয়। এরপর ২০১২ সালে আরও এক দফা মাশুল বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কার্যকর করা হয়নি।নতুন করে যে মাশুল বাড়ানো হচ্ছে, তার কাজ শুরু হয় ২০২০ সালে। স্পেনের একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মাশুল হালনাগাদ করে বন্দরের কাছে প্রস্তাব দেয়। এ বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি গেজেট নোটিফিকেশন জারি করার জন্য বন্দর থেকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এ নিয়ে ব্যবহারকারীদের সঙ্গে এক দফা আলোচনা হয়।ব্যবহারকারীরা বলছেন, গত ২ জুন মাশুল নিয়ে আলোচনার পর তাঁরা ৩০ জুনের মধ্যে মাশুল কত বাড়ানো যেতে পারে, তা নিয়ে প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। তাতে ১০ থেকে ২০ শতাংশ হারে মাশুল বাড়ানোর পক্ষে মত দেয় ব্যবহারকারী সংগঠনগুলো। এ নিয়ে দ্বিতীয় দফায় ব্যবহারকারীদের নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। তবে তার আগেই মাশুল বাড়ানো হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন  নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন। আজ বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দরে

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com