
নিজস্ব প্রতিবেদক::বরিশালের বাকেরগঞ্জ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ওএমএস ডিলার নিয়োগ লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস কর্তৃক আয়োজিত এ লটারি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন-উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সিএ ।উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে ডিলার পেতে দেড়শতাধিক আবেদন জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে ১ শত জনকে নিয়ে লটারিরর মাধ্যমে ৫১ জনকে নিয়োগ দেয়া হয়। খুব সুন্দার পরিবেশ সৃষ্টি করে লটারীর মাধ্যমে ডিলার নিয়োগ হওয়ায় প্রশংসায় উঠেছে দায়ীত্বশীলরা । রাজনৈতিকভাবে কিছু লোকজন ডিলার নিয়োগ পেতে পারেনি বলে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানোর চেষ্টাও দেখা যাচ্ছে ।আবেদনকারী সকল মহলের মন জয়ের জন্য মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় সুপরিকল্পিতভাবে আবেদনকারীদের কাগজপত্র পর্যালোচনা, সঠিক তথ্য থাকার পরও আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। জানা গেছে, উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে মোট ৫১টি ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ব্যাংক স্বচ্ছলতার প্রত্যায়ণ জমা দিয়েই ফুড গ্রেইন লাইসেন্স সংগ্রহ করেছেন আবেদনকারীরা। এটি সরকারি প্রক্রিয়ার একটি বাধ্যতামূলক অংশ, যা ছাড়া ফুড গ্রেইন লাইসেন্স ইস্যু হওয়ার সুযোগ নেই। তাছাড়া ডিলারশীপ পেতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন নিয়োগকারীরা। অভিযোগ রয়েছে অনেকে ভূয়া কাগজ জমা দিয়েছিলো সেগুলো ব্যাংকের প্রত্যায়ন নয়। কিন্তু রাজনৈতিকভাবে ডিলার পাওয়ার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে এখন অপপ্রচার চালাতেও দেখা যাচ্ছে । তাহা পরিপূর্ণ যাছাই – বাছাই করে বাতিল করা হয়েছে ।এব্যাপারে বাকেরগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রুবিনা পারভীন বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার নিয়োগের ২২১টি আবেদন জমা পড়েছে। ইউএনও রুমানা আফরোজকে সভাপতি করে ৫ সদস্য কমিটি গঠন করা হয়। তিনি বলেন, চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই শেষে লটারী মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৫১ জনকে মনোনীত করা হয়।পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ার তদারকি ও স্বচ্ছতার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আফরোজ বলেন, শনিবার লটারির মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে খাদ্য বন্ধক কর্মসূচির ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দেয়ার পরেও কাউকে বাদ দেয়ার সুযোগ নেই।