1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
বানারীপাড়ায় প্রশ্নবিদ্ধ মৎস্য অভিযানে স্পিডবোটের উপরে পেট্রোল বোম না মশার কয়েল নিক্ষেপ? - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| রবিবার| রাত ৩:১০|

বানারীপাড়ায় প্রশ্নবিদ্ধ মৎস্য অভিযানে স্পিডবোটের উপরে পেট্রোল বোম না মশার কয়েল নিক্ষেপ?

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৭৫ বার পড়েছেন

বানারীপাড়া প্রতিনিধি::বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে গভীর রাতে মা ইলিশ নিধণকারী অবৈধ মাছ ধরার  জেলেরা মৎস্য অভিযান পরিচালনার সময় রাত দেরটায় দিকে অভিযানে থাকা অবস্থায় স্পিডবোট লক্ষ্য করে জেলেরা পেট্রল-বোমা নিক্ষেপ করার ঘটনা সংঘঠিত হয়েছে। এতে স্পিডবোটের ড্রাইভার মোঃ ফায়জুল ( ৩০) নামে ১ জন গুরুতর আহত হয়েছে ।আহতকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে  বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত ফায়জুল বর্তমানে বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ভোলা জেলার ভোলা সদর থানার ভেদুরিয়া ফেরিঘাট সংলগ্ন ৫ নং ওয়ার্ডে মোঃ শাজাহান মিয়ার ছেলে মোঃ ফাইজুল দাবি করেন তার স্পিডবোটের উপরে পেট্রোল বোম নিক্ষেপ করা হয়েছে। বোমটি পানির বড় জেরিক্যানের উপরে পারলে আগুন বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারেনি।তার পরনের কাপড়ে আগুন লেগে “দু” পা আগুনে ঝলসে যায়। এবং বিক্ষুব্ধ জেলেরা স্পিড বোটের উপরে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এব্যাপারে অভিযান পরিচালনাকারী এস,আই,য়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ঘটনাটি মৎস্য অফিসের কাছ থেকে জেনে নিন।এখানেই রহস্যের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে মৎস্য অফিসের স্টাফ পুতুল রায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন মশার কয়েলের আগুনে দগ্ধ হতে পারে  স্পিড বোট  ড্রাইভার। স্থানীয় ছেলেরা দাবি করেন নিষেধাজ্ঞা শুরুতেই মৎস্য অধিদপ্তরের সাথে তাদের একটি অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে আওয়ামিলীগের দোসর মৎস্য অফিসের স্টাফ পলাশের মাধ্যমে । যে কারণে তারা দিনের বেলায় মৎস্য শিকার করতেন।এবং অভিযানের প্রত্যেকটি খবর মুঠোফোনে পেত জেলেরা।  প্রথম অবস্থায় লেনদেন ছিল নৌকা প্রতি ১ থেকে ২ হাজার টাকা। পরবর্তীতে লেনদেননটি শুরু হয় ভাগ প্রতি ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকায় এবং নাম মাত্র অভিযানে যে কয়টি নৌকো জাল ধরা পড়তো তা আবার সন্ধ্যায় বানারীপাড়া খেয়াঘাটে নিলাম দিত এখানের বাণিজ্যটি ছিল  অন্যরকম, যে জেলের,জাল নৌকা আটক হত, সেই আবার নিলামে কিনতে পারতো অল্প টাকায়।কিছু নৌকার অর্ধেকটা তলিয়ে দেওয়া হতো যাতে করে জেলেরা আবার নৌকা নিয়ে যেতে পারে এই নাটকীয় অভিযানের সাক্ষী বানারীপাড়ার হাজারো জনতা। ভাগটির সীমানা শুরু হয় বানারীপাড়া থানা ঘাট থেকে কালীর বাজার পর্যন্ত এক ভাগ। কালিবাজার ঘাট থেকে স্বনির্ভর আবাসন পর্যন্ত দ্বিতীয়  ভাগ।বানারীপাড়া থানা ঘাট থেকে  নন্দুহার খালের মুখ পর্যন্ত তৃতীয়  ভাগ।বানারীপাড়া  সন্ধ্যা নদীর সীমানা অংশকে তিন  ভাগে বিভক্ত করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে দালাল চক্র। নদীতে কাঙ্ক্ষিত মাছ না থাকায় জেলেরা বেপরোয়াও নিঃস্ব হয়ে পড়ে এমন ঘটনা ঘটাতে পারে বলে দাবি করেন স্থানীয়রা।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com