এদিকে গত ১০ই অক্টোবর বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সকল ব্যাচের প্রতিনিধিত্বে এক প্রস্তুতি ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সম্পূর্ণ সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত উক্ত সভায় অনুষ্ঠানকে সুশৃঙ্খল করা, ব্যাচভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচন, নিবন্ধন প্রক্রিয়া এবং আগামী দিনের দিকনির্দেশনা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়। বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে সিনিয়র ও জুনিয়র প্রাক্তনীরা যার যার অবস্থান থেকে উপস্থিত ছিলেন।
একটি বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক ও সামাজিক একটি অনুষ্ঠান। এখানে ১৯৬৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অধ্যয়ন করা সকল প্রাক্তনী— কে কোন দল করেন, কোন পেশায় আছেন বা কার কী ধর্ম-বর্ণ— এসবের কোনো স্থান নেই। সবাই এখানে কেবলই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী।
আয়োজক ও প্রাক্তনী প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে বলা হয়, “বুখাইনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয় আমাদের সবার স্মৃতিবিজড়িত শিকড়। এই বিদ্যালয়ের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত হীরক জয়ন্তী ও পুনর্মিলনী সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক। একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহ বিভিন্ন মিডিয়ায় ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এই ঐতিহাসিক ঐক্য ফাটল ধরাতে চাইছে। তবে প্রাক্তনীরা অত্যন্ত সচেতন। কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে পুনর্মিলনী সফল করতে একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন।”
আয়োজকরা সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে যেকোনো অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে মূল আয়োজনের সাথে যুক্ত থাকার এবং শুরু হতে যাওয়া নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।







