
নিজস্ব প্রতিবেদক::বরিশাল সদর উপজেলার ৭নং চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্নকাঠিতে সচ্ছলতা এনে দেওয়ার কথা বলে এক ভণ্ড ফকিরের বিরুদ্ধে অর্থ হাতিয়ে ধর্ষণসহ বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় রবিবার সরেজমিনে গেলে স্থানীয় সচেতন ব্যাক্তিবর্গরা এমন অভিযোগ তুলেছেন ভন্ড ফকির মিলন ও চামচা রিপনের বিরুদ্ধে ।দক্ষিন কর্নকাঠি গ্রামের নাপিত বাড়ি এক হিন্দু পরিবারের সন্তান এই ভন্ডরা গ্রামের সহজ সড়ল মানুষের নারীদের নিয়ে রঙ্গলীলায় মেতে উঠেছে । এমন কোনো রোগ নাই যাহার চিকিৎসা এরা করছেনা । ভন্ডরা চুরি, ডাকাতীর তদবির করতে রাজি না কারন তাইলে ধরা পরবে ওরা ভন্ড । কৌশলে বলছে আমরা চুরি ডাকাতীর তদবির করেনা । এই ভন্ডরা যুক্তি দেয় তাইলে মারামারি বাজবে ধরিয়ে দিলে তাই এই তদবির থেকে বিরত থাকি । কয়েক হাজার জ্বিনপরি, ভূত –পেতনি এই ভন্ডর সাথে রয়েছে বলে দাবি করেছেন মিলনের মা । ভন্ড মিলনের মা সাংবাদিকদের বলেন, আমার ছেলের সাথে কয়েক হাজার ভুত- পেতনি রয়েছে যাহারা সার্বক্ষনিক পুতের কথা হোনে । এভাবে গ্রামের নারীদের আকর্ষন বাড়িয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে জিরো থেকে হিরো হয়েছেন এই ভন্ডরা ।তিনি জিনের মাধ্যমে সংসারের অভাবও দূর করতে পারেন। জিনের কাছে ৯৬ লাখ টাকা আছে বলে তিনি তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তিকে জানান। এ জন্য তিনি তাঁকে জিন হাজির করানোর কথা বলেন। কয়েক দিন আগে জিন হাজির করানোর জন্য ওই ব্যক্তির মেয়ে ও শ্যালিকাকে রাতে নির্জন ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়।নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, সেখানে একাধিকবার তাদের ধর্ষণ করা হয়। লোক লজ্জায় হিন্দুদের ধর্ষরনর কথা প্রকাশ করছেনা ।তার বাড়ি কয়ারচর এলাকায় নলছিটি উপজেলায়। কয়েক দিন আগে সে বোনের বাড়িতে বেড়াতে আসে। সুন্দারী রুপসী রমনীদের দেখলে ভন্ড ফকির বাবা মিলন একাকী কথা বলেন ।ফোনে জিন হাজির করানোর জন্য তাকে বাড়িতে যেতে বলা হয়। এ সময় তার ভগ্নিপতিকে বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে বলা হয়।ভন্ড ফকির মিলন বলেন, জিনের ইচ্ছা পূরণ করতে হবে। নইলে তুই একেবারে পুড়ে মরবি। স্থানীয় কয়েকজন বলেন, নাপিত বাড়িতে তাঁর একটি কবিরাজ আছে। তিনি কবিরাজি করেন। মানুষকে ঝাড়ফুঁক দেন। তিনি সব সময় এলাকায় থাকেন না। মাঝেমধ্যে উধাও হয়ে যান। কয়েক দিন পর পর ফিরে এসে এলাকায় থাকেন।