গবেষণায় শুধু স্নাতকদের বেতন নয়; বরং পড়াশোনার মোট খরচ, পড়ার সময় সম্ভাব্য হারানো আয় এবং সেই অর্থ অন্য কোথাও বিনিয়োগ করলে সম্ভাব্য লাভ—এসব বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে। ফলাফল অনুযায়ী, মেডিক্যাল ডিগ্রিধারীদের আয় প্রায় তিন গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে। ফার্মেসি ডিগ্রিতে আয় বাড়ে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি। কিন্তু সাইকোলজি বা সোশ্যাল ওয়ার্কে অতিরিক্ত খরচ যোগ করলে প্রকৃত লাভ থাকে না।শুধু বেতন দেখে সিদ্ধান্ত ঝুঁকিপূর্ণ—গবেষক ঝেংরেন ঝু সতর্ক করে বলেন, অনেক শিক্ষার্থী শুধু গ্র্যাজুয়েটদের গড় বেতন দেখে সিদ্ধান্ত নেন, যা ভুল। কারণ, অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের আয় আগেই বেশি ছিল। অর্থাৎ, ডিগ্রি নেওয়ার আগে ও পরে আয়ের পার্থক্যই আসল বিবেচ্য।কারা বেশি লাভবান হন—গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা তুলনামূলক বেশি লাভবান হন। ফুল টাইম শিক্ষার্থীদের রিটার্ন বেশি এবং কম আয়ের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি থাকলে গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রির প্রভাব বেশি পড়ে। এ ছাড়া উচ্চ র্যাঙ্কিংয়ের আইন ও ব্যবসা স্কুল থেকে ডিগ্রি নিলে রিটার্ন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে গ্র্যাজুয়েট শিক্ষা—বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি নেওয়া অনেক সময় উচ্চ ঝুঁকির বিনিয়োগ—বিশেষ করে যখন শিক্ষার্থীদের বড় অঙ্কের ঋণ নিতে হয়। তাই ভর্তি হওয়ার আগে মোট খরচ, সম্ভাব্য আয়বৃদ্ধি, ড্রপআউটের ঝুঁকি এবং পড়াশোনার সময় কাজের সুযোগ বিবেচনা করা জরুরি।শুধু অর্থ নয়, পছন্দও গুরুত্বপূর্ণ—গবেষকেরা মনে করিয়ে দেন, সব সিদ্ধান্তই আর্থিক লাভের জন্য হয় না। আইনজীবী, চিকিৎসক, কাউন্সেলর বা স্কুল প্রশাসক হওয়ার মতো অনেক পেশায় গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি বাধ্যতামূলক। আবার অনেকেই ব্যক্তিগত আগ্রহ বা সামাজিক প্রভাবের কথা ভেবে এসব বিষয় বেছে নেন।





