দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে দুই হাজার ৮৪২টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবুল হাসানের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে শিক্ষামন্ত্রী একথা জানান।এ সময় অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম সভাপতিত্ব করেন।এহছানুল হক মিলন বলেন, সারাদেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে দুই হাজার ৮৪২টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আলিয়া মাদরাসাসমূহের শূন্য পদের তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে থাকে এবং তা নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়।সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক স্বল্পতা নিরসনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে শূন্য পদের তালিকা প্রস্তুত করে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনে (পিএসসি) প্রস্তাব পাঠানোর জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানো হয়েছে। এর মাধ্যমে শিগগিরই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।অপরদিকে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আলিয়া মাদরাসাসমূহে শিক্ষক স্বল্পতা নিরসনের জন্য বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে শূন্য পদ পূরণ করা হচ্ছে।মন্ত্রী বলেন, সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ বাস্তবায়নের মাধ্যমে শূন্য পদসমূহ পর্যায়ক্রমে পূরণ করা সম্ভব হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর স্বল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষকের ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং শিক্ষার গুণগতমান উন্নত হবে।মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন তিনটি সরকারি আলিয়া মাদরাসা এবং আট হাজার ২২৯টি এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদরাসা রয়েছে। এরমধ্যে সরকারি আলিয়া মাদরাসায় শূন্য পদের সংখ্যা ১১৪টি। এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদরাসায় সুপারের শূন্য পদ এক হাজার ৩৫৪টি এবং সহকারী সুপারের শূন্য পদ এক হাজার ৭৭৭টি, যা এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে পূরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।