তাকে নিয়মিত থেরাপি দেওয়া হচ্ছে। তার এমন অসুস্থতার পর চিকিৎসা ও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় তার পরিবার।
আহত সাংবাদিক মেয়ে সাহারা আহমেদ বলেন, ‘আমাদের আব্বু ছাড়া আমাদের আর রোজগার করার কেউ নাই। তার অফিসের কর্মকর্তারা তার বেতন কতদিন বহন করবেন তা আমরা জানি না। এখন সরকারের সাহায্য সহযোগিতা ছাড়া এখন আমাদের চলার উপায় নাই।’
প্রবীণ এই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানান সাংবাদিক নেতারা। তারা জুলাই আন্দোলনে আহত সাংবাদিকের আর্থিক সহায়তার দাবি জানান।
বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু বলেন, ‘শামীম আজকে খুবই অসহায় অবস্থায় আছে। তিনি যাতে বর্তমানে বাংলাদেশের সরকারের কাছে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সাহায্য সহযোগিতা পান সেই দাবি করছি আমি।’
এদিকে প্রশাসন বলছে, জুলাই আন্দোলনে হতাহতদের সর্বাত্মক সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং তাদের সহায়তা করা হচ্ছে।
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওছার বলেন, ‘মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের কাছে চেক পাঠিয়েছে, আমরা টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিয়েছি। একদম সরাসরি অ্যাকাউন্টে চলে গেছে। এগুলা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে গৃহীত পদক্ষেপ। এটা ছাড়া স্থানীয়ভাবে কিন্তু আমরা অনেকগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।’
জুলাই আন্দোলনে বরিশালের ৩০ জন বিভিন্ন স্থানে শহীদ হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় সাড়ে তিন শ মানুষ।







