
মোঃ ফেরদাউস::সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ-বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত পরিচালক এ.কে.এম আরিফ উদ্দিন ওরফে আরিফ হাসনাতের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে তাকে এক নারীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যাচ্ছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন। ভিডিওতে জনতাকে তাকে ঘিরে রাখতে ও বিষয়টি মীমাংসার কথা বলতে শোনা যায়।ভিডিওর সত্যতা ও ঘটনার পূর্ণ প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত ছিল কিনা বা কোনো মামলা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।পরিচয় – পাবলিক তথ্য অনুযায়ী: এ.কে.এম আরিফ উদ্দিন ওরফে আরিফ হাসনাত বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ’র বন্দর ও পরিবহন শাখার অতিরিক্ত পরিচালক হিসেবে কর্মরত। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তিনি ল্যান্ড এন্ড এস্টেট শাখার পরিচালকের দায়িত্বও পালন করছেন। পিতার নাম করিম হাজী। গ্রামের বাড়ি পাবনা জেলার সুজানগর থানার রায়পুর এলাকায় বলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৯ থেকে ২০২ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা নদী বন্দর সদরঘাট ও নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের দায়িত্বে ছিলেন। বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ’র প্রধান কার্যালয়ে পোস্টিং।দুদক তদন্ত:
২০২৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন-এসিসি আরিফ উদ্দিনের বিরুদ্ধে “অনিয়ম, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জন এর অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে। দুদকের দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দর ০১/০১/২০১৯ থেকে ৩১/১২/২০২ এবং ঢাকা সদরঘাট নদী বন্দর ০১/০১/২০২০ থেকে ৩১/১২/২০২ সময়ের রাজস্ব আদায়, সরকারি কোষাগারে জমার রেকর্ড ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট চেয়ে বিআইডব্লিউটিএ’কে চিঠি দেয়। চিঠিতে আরিফ উদ্দিনের যোগদান থেকে ৩০/০৬/২০২৩ পর্যন্ত বেতন-ভাতার বিবরণ এবং তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে ব্যবসা-শেয়ারের অনুমোদন সংক্রান্ত রেকর্ডও চাওয়া হয়। দুদকের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বিআইডব্লিউটিএ তথ্য না দেওয়ায় অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক অভিযোগ:২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট এক ব্যক্তি দুদকে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়, আরিফ হাসনাত গত সরকারের আমলে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন।
অভিযুক্তের বক্তব্য:এ বিষয়ে আরিফ হাসনাত সাহেবের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়যা যায়নি ।