1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
হাসিনার ফ্যাসিবাদী যাত্রা শুরু হয় ২৮ অক্টোবরের রক্তাক্ত তাণ্ডব দিয়ে : রিজভী - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
এসেই গুলি, যেতে যেতে বলল আজ থেকে পুষ্পপাড়া স্বাধীন মানুষের চাপে বিপর্যস্ত রাজধানী-প্রতিদিন ৩ কোটি ৮৭ লাখ মানুষের যাতায়াত সীমান্ত পেরিয়ে আসছে সবই উজিরপুরে ১১ অসচ্ছল নারীর মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ খাল নেই, রাস্তা নেই: গঙ্গামতিতে আড়াই কোটি টাকার সেতু শুধুই শোপিছ গলাচিপায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে সাবেক মেম্বার আটক ৩০ লাখ টাকা দিয়েও দালালদের হাত থেকে তাকে বাঁচানো যায়নি, এখন… স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-জ্বালানিমন্ত্রী পদত্যাগ না করলে মিছিল বড় হবে: নাহিদ শনিবারের মধ্যেই সরাতে হবে ভাড়াটে, নয়তো বাতিল হবে সরকারি বাসা রাত পোহালেই এইচএসসির ফল, অপেক্ষায় সাড়ে ১২ লাখ শিক্ষার্থী

হাসিনার ফ্যাসিবাদী যাত্রা শুরু হয় ২৮ অক্টোবরের রক্তাক্ত তাণ্ডব দিয়ে : রিজভী

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৩৭ বার পড়েছেন
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি::বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী যাত্রা শুরু হয় ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের রক্তাক্ত তাণ্ডব দিয়ে।মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) আয়োজিত ‌‘২৮ অক্টোবর প্রেক্ষিত : লাশতন্ত্র থেকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের উত্থান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।রিজভী বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী রাজনীতির যাত্রা শুরু হয়েছিল। সেদিনের রক্তাক্ত তাণ্ডব গোটা জাতিকে স্তম্ভিত করেছিল, যা ছিল বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের প্রথম প্রকাশ। সেদিন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া পদত্যাগের প্রক্রিয়ায় ছিলেন। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সরকারের কথা শুনছিল না। প্রশাসন তখন পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে পড়ে। এই সুযোগেই শেখ হাসিনা ও তার দল ১৪ দলের কর্মীদের দিয়ে রক্তাক্ত হামলা চালায়। এটি ছিল ফ্যাসিবাদের প্রথম মঞ্চায়ন।তিনি বলেন, ছাত্রদলের সভাপতি শাহাবুদ্দিন লাল্টুকে যেভাবে পিটিয়ে আহত করা হয়েছিল, তা শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী রাজনীতির ভয়াবহ দৃষ্টান্ত। ঠাণ্ডা মাথায়, নির্মম নিষ্ঠুরতায় একজন আহত মানুষকে ইট দিয়ে থেঁতলানো এবং লাশের উপর উল্লাস করা-এমন নৃশংসতা বাংলাদেশ আগে কখনো দেখেনি।রিজভী বলেন, ২৮ অক্টোবরের হত্যাযজ্ঞ ছিল পরিকল্পিত। শেখ হাসিনা তখন থেকেই প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক আনুগত্যে সাজাতে শুরু করেন, যেভাবে হিটলার তার ‘আর্য রাষ্ট্র’ গড়েছিলেন। শেখ হাসিনা তার প্রশাসনেও একই কৌশল প্রয়োগ করেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিবও ওই ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন। কিন্তু শেখ হাসিনার সরকার তখন থেকেই গণতন্ত্রকে হত্যা করে ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র নির্মাণের পথে হাঁটছিল। তার প্রশাসনের কর্মকর্তারা দলীয় আনুগত্যের বাইরে কেউ হলে স্থান পেত না।তিনি আরও বলেন, হিটলারের মতো শেখ হাসিনাও রাষ্ট্রপূজার বয়ান দাঁড় করিয়েছেন-যেখানে ‘রাষ্ট্র’ মানেই আওয়ামী লীগ। যে এই রাষ্ট্রচিন্তার বাইরে যাবে, সে দেশদ্রোহী। বাংলাদেশে গঠিত ফ্যাসিবাদ কেবল রাজনৈতিক নয়, এটি সামাজিক ও প্রশাসনিকভাবে প্রোথিত। শেখ হাসিনার সময় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিচারব্যবস্থা সবকিছু দলীয় আনুগত্যে পরিচালিত হয়েছে।এসময় উপস্থিত ছিলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, গণ অধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ, আমার বাংলাদেশ পার্টির  চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংকের আহ্বায়ক আতাউর রহমান বিশ্বাস, জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ, ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি জাহিদুর রহমান প্রমুখ।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com